রাজধানীর হাতিরঝিলে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গতে এক বছর সময় চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানি আগামী ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের এক নম্বর বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার বিজিএমইএ এক সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী শুনানির জন্য ওই দিন ধার্য করে দেন।এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। বিজিএমইএর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী ও ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম।গত ১২ মার্চ আপিল বিভাগ বিজিএমইএ’কে ভবন ভাঙতে ৬ মাস সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। যা কাল শেষ হচ্ছে। এর ঠিক একদিন আগে বিজিএমইএর আবেদনের ওপর আদালত আজ এ আদেশ দিলেন।গত ২৩ আগস্ট কার্যালয় অন্যত্র সরাতে আরও এক বছর সময় চেয়ে আবেদনটি করে। যা আজ চেম্বার বিচারপতির আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন ছাড়া বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ বিষয় নিয়ে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি হাইকোর্টের দৃষ্টিতে আনেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ে বিজিএমইএ ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’ উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়।হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ। এই লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।এই সময় সীমার শেষ হওয়ার আগেই ভবনটি সরাতে আরো এক বছর সময় চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে বিজিএমইএ। আগামী ৫ অক্টোবর এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
স/এষ্

