বাঘারপাড়া(যশোর) প্রতিনিধি : বাঘারপাড়া থানার ভিটাবল্যা ক্যাম্পের পুলিশের অপমান সইতে না পেরে এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। এছাড়া অভিযুক্ত ঐ পুলিশ সদস্য সম্প্রতি জনৈক এক মহিলাকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। এ সব অভিযোগে বুধবার তাকে যশোর পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
জানাগেছে, ভিটাবল্ল্যা পুলিশ ফাঁড়ির টুআইসি জাহাঙ্গীর আলম বেশ কিছুদিন ধরে এক মহিলাকে কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কু প্রস্তাবে ঐ মহিলা রাজি হয়না। গত ৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে ঐ মহিলার বাড়িতে প্রবেশ করে জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় মহিলার স্বামীকে ঘুম থেকে জাগিয়ে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায় জাহাঙ্গীরের সহযোগিরা। এরপর জাহাঙ্গীর আলম মহিলাকে জোর পুর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। পরদিন মহিলা বাঘারপাড়ায় থানায় অভিযোগ করতে আসেন। এ সময় মহিলার মামা শ্বশুর বড় ভিটাবল্ল্যা গ্রামের আবুল কাসেম বিচারের প্রতিশ্্রুতি দিয়ে তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জাহাঙ্গীর আলম আরো একটি অঘটন ঘটান। জানাগেছে, গত মঙ্গলবার বিকালে ভিটাবল্ল্যা গ্রামের আজিজুর রহমানের মেয়ে অষ্টম শ্রেণী পড়–য়া ছাত্রী রুমিচা পারভিন ও তার বান্ধবী একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে টুকটুকি বাড়ির পাশে গল্প করছিলো। এ সময় তাদের সাথে ছিলেন একই গ্রামের আজিম মোল্যার ছেলে জাকির হোসেন। কোন কারণ ছাড়াই ঐ তিনজনকে টুআইসি জাহাঙ্গীর আলম আটক করে আনেন ফাঁড়িতে। অনেক দেন দরবারের পর ৪ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদেরকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান অবিভাবকরা। এ অপমান সইতে না পেরে পরদিন রুমিচা বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বর্তমান সে বাঘারপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছয়রুদ্দিন আহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।
স/ এষ্

