ফরিদপুরের সালথায় পাট কাটার ধুম পড়েছে
আবু নাসের হুসাইন, সালথা প্রতিনিধি:
সোনালী আঁশে ভরপুর, ভালোবাসি ফরিদপুর। পাট উৎপাদনে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা অন্যতম। উপজেলার মোট আয়তন ১৮৫.১২ বর্গ কিলোমিটার। মোট আবাদী জমি ১৩ হাজার ৪শ’ ৪২ হেক্টর। এবার সালথায় ১২ হাজার ১শ’ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছেন। অতি বৃষ্টিতে উপজেলার নি¤œাঞ্চলে পানি জমে যাওয়ায় পাট কাটার কাজ শুরু করেছে চাষীরা।
উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের জয়ঝাপ গ্রামের পাট চাষী হায়দার মোল্যা ও সোনাপুর ইউনিয়নের গোপালিয়া গ্রামের পাট চাষী মোকলেস শেখ জানান, শুরু থেকেই পাট গাছের গঠন খুব ভালো ছিলো। তাতে পাটের বাম্পার ফলনের আশা করেছিলো চাষীরা। গত ১০/১২ দিনের ভারী বর্ষণে সালথা উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি জমে যাওয়ায় পাট কাটা শুরু করেছে চাষীরা। আর ১৫দিন পরে পাট কাটা শুরু হলে পাটের ফলন ভালো হতো বলে দাবী করেন পাট চাষীরা। অতি বৃষ্টিতে পাটের গোড়ায় পানি জমে পচন ধরেছে। এছাড়াও সমস্ত পাটের গাছ নরম হয়ে গেছে। যার কারণে ফলন আগের চেয়ে কম হবে।

উপজেলার সোনাপুর, ভাওয়াল, রামকান্তপুর, আটঘর, মাঝারদিয়া ও গট্টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলোতে দেখা গেছে, পাটের খেতে কোমর পর্যন্ত পানি জমে আছে। পাটের গোড়া পচন ধরার আগেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে পাট কাটা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে চাষীরা। চাষীরা তাদের পাট কেটে এক জায়গায় থেকে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন। সকাল হলেই এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।
উপজেলা উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল বারী বলেন, কয়েকদিনের অতি বৃষ্টিতে সালথার কিছু নিম্নাঞ্চলে পানি জমে গেছে। তাই চাষীরা পাট কাটা শুরু করেছে। যার কারণে নিচু এলাকার পাটের ফলন কিছুটা কম হতে পারে। আরো ২০দিন পর এই পাট শুকনায় থাকলে পাটের ফলনটা ভালো হতো।

