ভূমি দস্যুদের নীল নকশার জালে কৃষি জমি হুমকির মুখে
খালিদ হোসেন মিলু (নওগাঁ)থেকেঃ নওগাঁর বদলগাছীতে তিন ফসলি জমির বালু কেটে নিচ্ছে ভূমি দস্যুরা। মালিকেরা তাদের কৃষি জমি মাটি ব্যাবসায়ীদের কাছে ইজারা দিয়েছে। এসব ব্যাবসায়ীরা বালু কেটে রাস্তার ঠিকাদারদের কাছে বিত্রিু করছে। গভীর করে জমি থেকে বালু কেটে নেয়ায় আসে পাশে ফসলি জমি গুলো ধস দেখা দিয়েছে। এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে অতি তারাতারি কৃষি জমি গুলো খাল বিলে পরিনত হওয়ার আশস্কা করছেন উপজেলা বাসী। স্থানীয় লোক জনের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায় ১মাস ধরে বালু কাটায় ঐ এলাকার তিন ফসলি উচুঁ জমি ভেঙ্গে বিলিন হয়ে যেতে বসেছে। ফসলি জমি থেকে বালু কাটায় দিন দিন কৃষি জমির হ্রাস পাচ্ছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় আধাইপুর ইউপির চক আধাইপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন ১২কাটা জমি থেকে বালু উত্তোলন করে রাস্তার কাজে ব্যাবহার করা হচ্ছে। এব্যাপারে জমির মালিক তোফাজ্জল হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান,আমার ১২কাটা জমিতে আমি পুখুর কাটার জন্য মথুরাপুর ইউপির বালু ব্যাবসায়ী নুরুনবী কাছে ১ লক্ষ টাকায় বিত্রিু করেছি। এব্যাপারে বালু ব্যাবসায়ী নুরুনবীর সাথে কথা বললে তিনি জানায় আমি তোফাজ্জলের ১২ কাটা জমি লক্ষাধীক টাকায় রাস্তার ঠিকাদারদের কাছে বিত্রিু বন্দবস্ত করে দিয়েছি। ভান্ডারপুর বালুপাড়া হইতে রুকুপুর রাস্তার কাজে ব্যাবহার করা হচ্ছে। রাস্তার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হিমু জানায় নদীর বালু মহলের কাছে থেকে চড়া দামে বালু ত্রুয় করলে আমাদের প্রজেক্টের কাজের লছ হতে পারে, বিধায় আমরা কম মূল্যে বালু নিয়ে রাস্তার কাজে ব্যাবহার করছি। এছাড়া উপজেলার কসবা গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকায় শতশত বিঘা ফসলি জমি ভূমি দুস্যদের নীল নকসার জালে পড়ে কৃষি জমি বিলিন হতে চলেছে। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাসান আলী বলেন জমির মালিকেরা যদি তাদের কৃষি জমিতে পুখুর খনন করে তাহলে আমার করার কিছু নেই, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইচ্ছা করলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে পারে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হুসাইন শওকত বলেন ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলন যদি হয়ে থাকে আমি জরুরী ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।
স/ এষ্

