ঢাকাশুক্রবার , ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে বাংলাদেশ

admin
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৭ ১:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

সরকারের এ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় যেসব বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, এসডিজি অর্জনের জন্য সেগুলোই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এশিয়া প্যাসিফিক ফোরাম আয়োজিত “লিংকিং বিজনেস উইথ দি সাসটেইনাবল ডেভেলপমেন্ট গোল’স: হোয়াট ক্যান উই ডু?”  শীর্ষক প্লেনারি সেশনে সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য দেওয়া হয়।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে। দারিদ্র্যর হার অনেক কমে এসেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাক্ষেত্রে নারী-পুরুষের শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেযেছে। কমেছে পাঁচ বছরের নিচে শিশুমৃত্যুর হার। বৃদ্ধি পাচ্ছে কর্মসংস্থান। এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এমডিজি অর্জনের অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশ সফলভাবেই এসডিজি অর্জন করবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বললেন, “এসডিজি অর্জনের জন্য বাংলাদেশের তৈরি বেশকিছু প্রস্তাবনা জাতিসংঘে গৃহীত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সবক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে বিশ্বের মধ্যে একটি মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ‘ভিশন ২০২১’ ঘোষণা করেছেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে দেশের প্রতিটি মানুষ দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এবং উন্নয়নের সুফল ভোগ করবে। মানুষের আয় বৃদ্ধির সঙ্গে দরিদ্রসীমা নিচে নেমে আসবে।”

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পাশাপাশি পুষ্টি, উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, নারী ও পুরুষের মধ্যে সমতা নিশ্চিতকরণ এবং সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব বিষয়ে সাফল্য অর্জন করে দেশের মানুষের অবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে বেরিয়ে আসবে বাংলাদেশ। এটাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল। তিনি বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, জাতিসংঘ ১৬৯টি বিষয়কে বিবেচনায় রেখে ১৭টি বিষয়কে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তাদের মতে— সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশ্বের দরিদ্র মানুষের সংখ্যা হ্রাস করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষুধামুক্ত সমাজ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সমতা আনা, লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, মানুষের মধ্যে পরিবর্তন ঘটানো এবং অবকাঠামো উন্নয়ন করে এই লক্ষ্য অর্জন করতে হবে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

প্লিনারি সেশনে বক্তব্য রাখেন নেপালের বাণিজ্যমন্ত্রী, শ্রীলংকার শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ভাইস-প্রেসিডেন্ট, এশিয়ান স্ট্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা বিষয়ে মুখ্য সমন্বয়কারী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনাইটেড নেশনের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্ড ইসক্যাপের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি ড. শামসাদ আখতার।

স/শা