রাজধানীর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে শুরু হয়েছে দশম জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব। দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় উৎসাহিত করা ও সম্মিলিতভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও মেলার আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার ছিল মেলার দ্বিতীয় দিন। ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের নানা উদ্ভাবন দেখতে এদিনও উৎসবে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়।
বৃহস্পতিবার সকালে উৎসবের উদ্বোধন করেন কলেজের প্রাক্তন ছাত্র বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। রাজধানী ছাড়াও সারাদেশের প্রায় ৩৫০ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে। প্রতিদিন মেলা শুরু হয় সকাল ৮টায়। আর শেষ হয় বিকেল ৫টায়। শনিবার মেলার তৃতীয় ও শেষ দিন।
আয়োজকরা জানান, ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞানভীতি দূর করা, বিজ্ঞানমূলক সৃজনশীলতা ও শিল্পকর্ম তৈরিতে উৎসাহ দেওয়া এবং বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে সাহায্য করার মধ্য দিয়ে এ কাজ করে যাচ্ছে বিজ্ঞান ক্লাব।
বিজ্ঞান ক্লাবের পক্ষ থেকে ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয় ‘অন্তঃস্কুল বিজ্ঞান মেলা’। প্রথমে ক্লাবটি অন্তঃস্কুল বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা দিয়ে শুরু হলেও ২০১০ সাল থেকে ‘আন্তঃস্কুল বিজ্ঞান মেলা’ আয়োজন করে আসছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের বিজ্ঞানপিপাসু শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
দেশের বৃহৎ বিজ্ঞান উৎসবের এবারের আয়োজনে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রায় ৩৫০টি প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করছে। এবারের উৎসবে ২৪টি ইভেন্টের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-প্রজেক্ট ডিসপ্লে, অলিম্পিয়াড, কুইজ, ওয়াল ম্যাগাজিন ও ফটোগ্রাফি।
পাশাপাশি নতুন ইভেন্ট হিসেবে যুক্ত হয়েছে- মেগা কুইজ এবং ওয়ার্ল্ড কুইজিং চ্যাম্পিয়নশিপ ফরম্যাটের আদলে গড়া ‘সোলো কুইজ’, দাবা খেলা আর সম্পূর্ণ অনলাইনে পরিচালিত প্রোগ্রামিং কনটেস্ট- যা এবারের উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা।
প্রতিবারের মতো এবারের বিজ্ঞান মেলারও মূল আকর্ষণ হচ্ছে প্রজেক্ট ডিসপ্লে। এছাড়া মেলায় উপস্থাপিত প্রজেক্ট ও নির্বাচিত লেখা নিয়ে ক্লাবের পক্ষ থেকে বের হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন ‘
স/শা

