জাতীয় উৎসবকে ঘিরে জঙ্গিবাদ যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে সে ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তাদের আরও সাজগ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। পাশাপাশি আইসিটি আইনে মামলা নেয়ার আগে থানা পুলিশকে সাইবার ক্রাইম টিমের পরামর্শও নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার ডিএমপির মাসিক অপরাধ (ক্রাইম কনফারেন্স) সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। সভায় উপস্থিত একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কর্মকর্তারা বলেন, আগামী দুই মাসে পহেলা ফাল্গুন, একুশে ফেব্রুয়ারি এবং বাংলা নববর্ষের মতো গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উৎসব রয়েছে। এসব উৎসবকে কেন্দ্র করে জঙ্গিরা যেন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠতে না পারে এজন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে সম্মানহানির ঘটনাও ঘটছে। বিষয়গুলো স্পর্শকাতর হওয়ার কারণে পুলিশের কাউিন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার ক্রাইম টিমের পরামর্শ নিতে থানা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনার।
থানা পুলিশের তুলনায় সাইবার ক্রাইম টিম আইসিটি আইন এবং এ আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে ভালো জানে। এ কারণেই থানা পুলিশকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সভায় জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের পুলিশকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ব্লক রেইড পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর বিষয়টিও অপরাধ সভায় আলোচনা হয়েছে।
রাজধানীতে হঠাৎ করে ছিনতাই বেড়ে যাওয়ার বিষয়েও ডিএমপির মাসিক অপরাধ সভায় আলোচনা হয় বলেও জানান তারা। সভায় ছিনতাইরোধে বিভিন্ন এলাকার চেকপোস্টে বসিয়ে তল্লাশির নির্দেশও দেন তিনি।
এ বিষয়ে ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান বলেন, মাসিক অপরাধ সভায় কমিশনার সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কর্মকর্তাদের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।
এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত পুলিশ সদস্যদের হাতে নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
স/শা

