ঢাকামঙ্গলবার , ৮ জুন ২০২১
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

গৌরীপুরে যত্ন প্রকল্পে অনিয়ম-দূর্নীতির তদন্ত দাবি

চমক নিউজ, ময়মানসিংহ
জুন ৮, ২০২১ ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গৌরীপুরে যত্ন প্রকল্পে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ তুলে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানের ফেইজ বুকে ট্যাটাস ! তদন্ত দাবি

শেখ বিপ্লব গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) থেকে : ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ অতিদরিদ্রদের (আইএসপিপি) যত্ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ তুলে বর্তমান ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজ বুকে ট্যাটাস।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাঁড় সৃষ্টি করেছেন তারা। এ ঘটনায় অভিযোগ তদন্তের দাবি উঠেছে স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহলে। তাদের ভাষ্য, যেহেতু খোদ ইউপি চেয়ারম্যানদ্বয় যত্ন প্রকল্পে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন।

সেহেতু অভিযোগ সরেজমিনের তদন্তের কোন বিকল্প নেই। আশা করছি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন। যত্ন প্রকল্পে ভাংনামারী ইউনিয়নের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকারিয়া সুজন জানান, এ ইউনিয়নে মোট আবেদন জমা হয়েছিল ১৮শ‘র উপরে। তবে উপকারভোগী হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন ১৪৫৩ জনের মত।

অভিযোগ উঠেছে, যত্ন প্রকল্পে উপকারভোগীর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা নগদ সাত থেকে তিন হাজার পর্যন্ত টাকা গ্রহন করেছেন। যদিও উপকারভোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কোন বিধান নেই।

সূত্রমতে, ভাংনামারী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মফিজুন নূর খোকা বিগত ২ জুন তাঁর ফেইজবুক পোষ্টে লিখেছেন ‘যত্ন প্রকল্প নিয়ে অনেক অভিযোগ আসছে। গরিবদের বাদ দিয়ে সরকারী বিধিবহির্ভূত অনেকেই ক্যাশ কার্ড পাচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। বাছাই পর্বে চেয়ারম্যানকে রাখলে এই অনিয়ম করার সুযোগ ছিল না। অনিয়মকারীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্থক্ষেপ আশা করছি। অন্যথায় অসহায় মানুষ গুলোকে নিয়ে আদালতে যাব।’

এর পর পরেই একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলে মাসুদ তাঁর ফেইজবুক আইডিতে এক ট্যাটাসে লিখেছেন ‘“ভাংনামারী ইউনিয়নের যত্ন প্রকল্পের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অডিট টিম ও অতঃপর পরিষদের যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর আগামী রবিবার অভিযোগ ও স্মারকলিপি দাখিল ও সরেজমিনে তদন্তের আবেদন দাখিল করা হইবে”।

তবে রবিবার পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় নিজের ঘোষনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসক বরাবরে কোন অভিযোগ দায়েরের খবর পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি ধামাচাপার গুঞ্জন চলছে সাধারন মহলে।

এদিকে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানের ফেইজবুক ট্যাটাসে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের অনেক মানুষ।

তাদের মধ্যে মো: জহিরুল ইসলাম মন্ডল লিখেছেন, ‘কার্ড প্রতি পাঁচ হাজার টাকা চুক্তি করে। নাম দেওয়ার সময় দুই হাজার টাকা করে নিয়েছে, বাকি টাকা না দিলে নাম কেটে দেওয়ার হুমকি।

শহীদুল ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, ‘টাকা নিয়ে অনেক কার্ডধারীদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আবার চাহিদার টাকা দিতে না পারায় কার্ড হয়নি। ব্যবস্থা নিতে পারবেন কি বলে, প্রশ্ন রাখেন তিনি।

শেখ আনোয়ার হুসাইন আনার নামের একজন লিখেছেন, ‘তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। টাকার বিনিময়ে প্রভাবশালীরা এবং চাকরিজীবীরাও কার্ড পাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে যারা কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত তারা কার্ড না পেয়ে হতাশ। যাদের পাকা ঘর তারা কার্ড পাচ্ছে। আর যাদের থাকার মত ঘর নেই, তারা কার্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গৌরীপুর উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দ্রুত এর প্রতিকার চাই।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মারুফ বলেন, লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

স/বি