কোনো রকম অগ্রিম টিকিট কিংবা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই এখন থেকে ভারতের ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে। এর ফলে সামান্যতম হয়রানিরও অবসান হবে বলে মনে করছেন ভিসাপ্রার্থীরা।
রোববার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এ পদ্ধতিতে ভিসা কার্যক্রম চালু করেছে চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার কার্যালয়।
ভোগান্তি দূর করতে বছর খানেক আগে সহকারী হাইকমিশনার দপ্তর অগ্রিম বাস, ট্রেন কিংবা বিমান টিকিটের মাধ্যমে ভিসা দেয়া শুরু করে। এরপর কিছুদিন আগে থেকে কোনো রকম টিকিট ছাড়াই নারীদের ভিসা দেয়া শুরু করে।
রোববার থেকে নারী-পুরুষ সবার জন্য পর্যটন ভিসা আরো সহজ করা হলো। এখন থেকে যাত্রার অগ্রিম টিকিট ছাড়াই ভিসা পাওয়া যাবে। এ প্রক্রিয়ার ফলে কোনো ধরনের ভিসা নিতে আর সমস্যা হবে না বলে মনে করছেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।
সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার বলেন, ভিসা নিতে গিয়ে মানুষ অযথা হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়ত। তারা সঠিকভাবে আবেদন ফরম পূরণ না করে আসত। একশ্রেণির লোক কিংবা এখানকার ব্যবসায়ী মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা আয় করত।
তারা ভুল বোঝাত, ডকুমেন্ট নিয়ে প্রতারণা করত। ওই হয়রানি দূর করতে সর্বসাধারণের জন্য ভিসা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। নির্ভুল তথ্যে আবেদন ফরম এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ঠিক থাকলেই ভিসা দেয়া হবে। মেডিকেল, এডুকেশন, ব্যবসায়িক কিংবা অন্যান্য ভিসা প্রক্রিয়াও সহজ রয়েছে বলে তিনি জানান।
প্রথম ধাপে ১৫ দিন, এরপর এক মাস এই প্রক্রিয়ায় ভিসা দেয়া হবে। এতে যদি মানুষের উপকার হয়, তাহলে সারা দেশে স্থায়ীভাবে এ প্রক্রিয়ায় ভিসা দেয়া হবে বলে জানান সোমনাথ হালদার।
সকাল আটটা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভিসা জমা নেয়া হবে। ভিসা আবেদন জমা দিয়ে বের হওয়ার সময় মো. শফিক নামের একজন বলেন, ‘পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন করেছি। এ জন্য কোনো টিকিট কিংবা বাড়তি টাকাপয়সা লাগেনি। কেবল ভিসা ফি জমা দিতে হয়েছে।’
স/এষ্

