ঢাকাসোমবার , ১০ জানুয়ারি ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

অসৎ উদ্দেশ্য সীমান্তের ওপারে যারা যায়, সাধারণত তারাই হত্যাকান্ডের স্বীকার হয়

চমক নিউজ মফস্বল বিভাগ
জানুয়ারি ১০, ২০২২ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

‘রাতের অন্ধকারে অসৎ উদ্দেশ্য যারা সীমান্তের ওপারে যায় সাধারণত তারাই হত্যাকান্ডের স্বীকার হয়’ : বিজিবি মহাপরিচালক

কাজী কামাল হোসেন,নওগাঁ : বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেছেন, রাতের অন্ধকারে অসৎ উদ্দেশ্য যারা সীমান্তের ওপারে যায় সাধারণত তারাই হত্যাকান্ডের স্বীকার হয়।

তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নতুন-নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে বিজিবি। ভারত সীমান্ত এলাকার মানুষদের জন্য পাসপোর্ট-ভিসার স্থলে স্বল্পমেয়াদী অনুমতি পত্র চালু করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এরইমধ্যে বিএসএফ ও ভারত সরকারকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বিজিবি’র মহাপরিচালক আজ সোমবার দুপুরে নওগাঁর মহাদেবপুরে খাজুর ইউনিয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিজিবি’র শীতকালীন যৌথ মহড়া পরিদর্শন করতে এসে এসব কথা বলছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের যেসব এলাকায় সীমান্ত রয়েছে এদের অনেক আত্নীয় দুই পারেই বসবাস করে। ফলে বিভিন্ন উৎসব পার্বনে তাদের যাতায়াত আদিকাল থেকে। কিন্তু এখন সীমানা হয়েছে। পসপোর্ট ও ভিসার প্রয়োজন হয়। ফলে ভিসা ছাড়া কেউ ভারতে গেলে তখনই সেটা অবৈধ অনুপ্রবেশ হয়। এজন্য বিষয়টি নিয়ে বিজিবি যাচাই-বাছাই করছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী যেসব মানুষ ভারতের অভ্যন্তরে তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যায় তাদের জন্য ৫/৭ দিনের ভ্রমনের জন্য একটি অনুমতি কার্ড চালুর পরিকল্পনা কথা ভাবা হচ্ছে।

যৌথ মহড়া বিষয়ে তিনি বলেন, এসব মহড়ার ফলে যে কোনো যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিজিবি দেশরক্ষার দায়িত্ব পালনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। পাশাপাশি বাড়বে বিজিবি সদস্যদের মনোবল ও দক্ষতা।

সীমান্তরক্ষী বাহিনী যুদ্ধকালীন সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে দেশ রক্ষার লড়াই করবে। আইনে বলা এ নির্দেশনা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে এপ্রশিক্ষনের মাধ্যমে তা হাতে কলমে শিখছেন।

যৌথ প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করে রণ প্রস্তুতির নানা কৌশল বাতলে দেয়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের সুখ দুঃখের খোঁজ খবরও নেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিজিবির সমন্বয়ের প্রয়োজন। সেটাই এ প্রশিক্ষের মূল উদ্দেশ্য। সব প্রশিক্ষণের ব্যাপারেই আমরা জোর দিচ্ছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর অঞ্চলের সেক্টর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নওরোজ, রাজশাহীর সেক্টর কমান্ডার আনোয়ার লতিফ, ১৬ বিজিবি’র কমান্ডার লেঃ কর্নেল কবির, ১৪ বিজিবি’র কমান্ডার লেঃ কর্নেল নাদিম প্রমূখ।

স/এষ্