বাঘারপাড়া(যশোর) প্রতিনিধি : ৩০ জুলাই বাঘারপাড়ার ধলগ্রাম রাস্তার মোড়ের আনোয়ার হোসেন কসাইয়ের মাংশের দোকানে পাগলা কুকুরে কামড়ানো গরুর মাংশ বিক্রি করা হয়েছে বলে প্রচারিত হলে এলাকার সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে কসাইদেরকে আক্রমন করলে তারা পালিয়ে রক্ষা পেলেও পরে এক শালিসী বৈঠকে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।৩১ জুলাই সকাল বেলায় সাধারণ জনতা আবার উত্তাল হয়ে উক্ত মাংশের দোকান ভাংচুর করে।
ধলগ্রাম রাস্তার বিভিন্ন ব্যবসায়ীর মাধ্যমে জানা গেছে,আনোর হোসেনের নেতৃত্বে বারিক হোসেন,শরিফুল ইসলাম,হাফিজুর রহমান ও সদর উদ্দীনের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাজারে প্রতিদিন তরতাজা গরুর মাংশের মধ্যে রোগাগ্রস্থ গরুর মাংশ মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।বিশেষ করে বারিক হোসেন এ কাজের ওস্তাদ বলে বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্য হতে অনেকে জানিয়েছে।৫০ হাজার টাকার গরু পাগলা কুকুরে কামড়ানোর কারনে ধলগ্রাম থেকে মাত্র ১৮ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করে ৩০ জুলাই জ্ববেহ করে তা বিক্রি করেছে বলে জানা গেছে।তবে শালিসী বৈঠকে আনোয়ার হোসেন কসাই বিষয়টি অস্বীকার করেছে এবং উক্ত গরু মাইজপাড়া হাট হতে ক্রয় করা বলে জানিয়েছে।জামদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম টুটুলের উপস্থিতিতে বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।অপরদিকে ৩১ জুলাই জামদিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের সৌজন্যে উক্ত গরুর মাংশ যারা কাটাকাটি করেছে তাদেরকে এন্টি র্যাবিস টিকা নিতে হবে এ মর্মে এলাকায় মাইকে প্রচার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স/এষ্

