(খুলনা) প্রতিনিধি ॥
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্র অমিতের জন্মস্থান পাইকগাছায় সৎকার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার মৃত্যুদেহ গ্রামের বাড়ীতে পৌছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। অমিতের শেষ দেখা দেখতে হাজার হাজার মানুষ ভীড় জমায় তার বাড়ীতে। পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের আহাজারীতে ভারী হয়ে ওঠে স্বাভাবিক পরিবেশ। অমিত ভিলেজ পাইকগাছা গ্রামের অমীয় রঞ্জন সরকারের একমাত্র ছেলে। পিতা ডুমুরিয়ার শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক। সেই সূত্রে অমিতের পরিবারের সবাই দীর্ঘদিন ধরে ডুমুরিয়ায় বসবাস করে আসছে। অমিত হরিণটানা শহীদ শেখ আবুল কাশেম কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র। দূর্ঘটনার আগের দিন বিকালে সে খুলনায় বোনের বাসায় যায়। সেখান থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে কলেজ সংলগ্ন এলাকায় পৌছালে বাস ও ইজিবাইকের সঙ্গে দুর্ঘটনা ঘটলে সে মারাত্মক আহত হয়। পরে মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার মৃত দেহ গ্রামের বাড়ী আনা হয়। এ সময় প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও পিতা-মাতার আহাজারীতে শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায়। তার মা রাণী সরকার ‘আমার এত যতেœর একমাত্র সন্তান আর কখনও আমাকে ডাকবে না’ বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। বাবা অমীয় রঞ্জন বলেন, আমি চাকরি, টাকা, পয়সা কিছুই চাই না, স্রষ্টা আমার একমাত্র ছেলেকে ফিরিয়ে দিক। এদিন রাতেই অমিতের অন্তষ্ট্রিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় বলে তার পরিবার জানিয়েছে।
স/মা

