আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি-
ফরিদপুরের সালথায় পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে। উপজেলার নিম্ন অঞ্চলে কৃষকরা পানিতে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ শুরু করেছে। উচু এলাকায় কৃষক-কৃষানীরা রাস্তা-ঘাট ও বাড়ির আঙ্গিনায় পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ করছেন। সব মিলিয়ে এই অঞ্চলের মানুষ এখন পাট নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।
জানা গেছে, উপজেলার মোট আয়তন ১৮৫.১১ বর্গ কিলোমিটার। কৃষকের চাষাবাদী জমির পরিমান ১৩ হাজার ৬শ’ ৭৫ হেক্টর। এখানে ৩০ হাজার ১শ’ ২২ টি কৃষি পরিবার রয়েছে। এ বছরে ১১ হাজার ৯শ’ ২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। নিম্ন অঞ্চল গুলোতে উরু বা কোমর পানিতে কৃষকরা পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ শুরু করেছে। এরমধ্যে আটঘর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, পুটিয়া, খাগৈড়, সেনহাটি, সোনমানশাহ, ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা, শিহিপুর, বারখাদিয়া, ইউসুফদিয়া, কামদিয়া, গট্টি ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া, বালিয়া, জয়ঝাপ, আড়–য়াকান্দি, দিয়াপাড়া, লাহিড়ি পাড়া, আগুলদিয়া, ফুকরা, রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া, রামকান্তপুর, মদনদিয়া, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের পুড়াগদি, মুরাটিয়া, আজলপট্টি, নওপাড়া ও খালিশপট্টি গ্রামের নিচু মাঠ, খাল-বিলে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ করতে দেখা গেছে। এদিকে সোনাপুর, বল্লভদি, যদুনন্দী ইউনিয়নের উচু এলাকার অধিকাংশ কৃষক ও কৃষানীরা বাড়ির আঙ্গিনায় পাটের আঁশ ছাড়াচ্ছেন। চারিদিকে সোনালী আঁশ পাটের গন্ধে আত্মহারা হয়ে ওঠছে কৃষক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মাদ বিন ইয়ামিন বলেন, এবার পাটের বাম্পার ফলন হচ্ছে। ইতিমধ্যেই নিম্ন অঞ্চলগুলোতে পরিমান মতো পানি এসেছে। এসব এলাকার পাট চাষীরা সুন্দর ভাবে পাট পঁচানো ও আশ ছাড়ানোর কাজ শেষ করতে পারছে। হেক্টর প্রতি ২.৮ মে:টন ফলন হচ্ছে। বাজারে পাটের যে মুল্যে আছে তাতে কৃষকরা লাভবান হবে।
স/ম

