সংযুক্ত আরব আমিরাতের সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন (৪৫) ও মুহাম্মদ আব্দুর রহিম (৪২) এর মরদেহ ১৭ দিন পর শুক্রবার বাংলাদেশে আসছে।
দুবাইয়ে বাংলাদেশ বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজার শামসুল করিম জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৩টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাদের মরদেহ নিয়ে দেশের পথে রওনা করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি পৌঁছবে।
দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রথম সচিব (শ্রম) একেএম মিজানুর রহমান বলেন, শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) চট্রগ্রামগামী বিমানের মরদেহ বহনের জায়গা স্বল্পতার কারণে ঢাকা দিয়ে পাঠানো হচ্ছে তাদের। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে দুই জনের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাদের গ্রামের বাড়ি চট্রগ্রামের ফটিকছড়িতে পৌঁছানো হবে।
রাস আল-খাইমাহ সিটি ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এসএম মহিউদ্দিন বেলাল রনি জানান, নিহত দুইজনের জানাজা বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাদ মাগরিব সাইফ বিন গুবাস হাসপাতালের জামে মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরো জানান, প্রথম থেকে রাস আল শেষ পর্যন্ত নিহতদের দেখাশোনায় ছিলেন, রাস আল-খাইমাহ বাংলাদেশ সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি পিয়ার মোহাম্মদ।
গত ৩১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস-আল খাইমাহ হুজাম সড়কে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে বাংলাদেশি দুই শ্রমিক মারা যান।
এরা হলেন- ফটিকছড়ি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড হাসমত আলী চৌধুরী বাড়ির মুহাম্মদ আলমগীর হোসেনের পিতা মৃত ফজলুল রাব্বি চৌধুরী, অন্যজন হলেন ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউপির ৭নং ওয়ার্ড আলমদার চৌধুরী বাড়ির মুহাম্মদ আব্দুর রহিমের পিতা মুহাম্মদ মীর আহম্মদ।
স/শা

