ঢাকাসোমবার , ১২ জুন ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

নাগেশ্বরীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

admin
জুন ১২, ২০১৭ ৫:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হাফিজুর রহমান হৃদয়, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবাদকারীদের উপর হামলা করেছে চেয়ারম্যান, তার ভাই ও তার লোকজন। এতে ওই ইউনিয়নের আওয়া মীলীগ সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানসহ ১০জন আহত হয়েছে। আহতদের ২জন কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা। ঘটনায় মশিউর রহমানের ছোট ভাই শাহালম বাদী হয়ে ১২জনকে আসামি করে কচাকাটা থানায় মামলা করলে সারোয়ার হোসেন ও আব্দুস সালামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নে। মামলা সূত্রে জানা যায়, নারায়নপুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান কাবিটা, টিআর, ননওয়েজ, এডিপি, অতিদরিদ্রের কর্মসংস্থান কর্মসূচি, এলজিএসপি-২ প্রকল্পে ও ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যাপক স্বেচ্ছারিতা, সচ্ছল ব্যক্তি ও কিছু শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করে কাগজে কলমে শতভাগ কাজ দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করাসহ ত্রাণের টিন ও টাকা আত্মসাৎ করে নিজের ফায়দা লুটে নেয়ার বিষয়ে দুর্নীতিতে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে শীর্ষক আলোচনায় বসে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর নেতৃবৃন্দ। এ খবর পেয়ে চেয়ারম্যান, তার ভাই আজিজার রহমান, শাহালম, রাসেল মিয়া, সারোয়ার হোসেন, চাচাত ভাই হায়াত আলী, মামুনসহ ১৫-২০জন আলোচনা সভায় উপস্থিত হয়ে চেয়ারম্যানসহ তার লোকজন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করেন। আওয়ামী লীগ নেতারা এর প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যানের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আকষ্মিক হামলা চালায়। এতে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, মোশারফ হোসেন, আবদুল মান্নান, শাহাদৎ হোসেনসহ ১০জন আহত হন। এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, নাগেশ্বরী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অফিসের আওতায় চলতি বছরে অতিদরিদ্রের কর্মসংস্থান কর্মসূচির ৬শ ২৬জন শ্রমিকের মধ্যে চেয়ারম্যানের ৩শ বেনামী কার্ডের মাধ্যমে নাগেশ্বরী অগ্রণী ব্যাংক থেকে ২৪লাখ টাকা উত্তোলন করে এবং ২শ ৭৯ভিজিডি কার্ড এর মধ্যে সংশি¬ষ্ট ইউপি সদস্য ও মহিলা সদস্যরা প্রতিজন ৩টি করে মোট ৩৬টি কার্ড ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়াসহ চেয়ারম্যান অনেক বেনামী কাডের্র টাকা অত্মসাৎ করে। এছাড়াও ১১জন অসহায় ব্যক্তির নামে ১১বান্ডিল ত্রাণের টিন ও ৩৩হাজার টাকা চেয়ারম্যান সমুদয় আত্মসাৎ করে এবং এলজিএসপি-২ প্রকল্পে ১ লাখ টাকার বরাদ্দে মাত্র ১০হাজার টাকায় কাজ শেষ করে বাকি টাকা নিজের পকেট ভারি করে। তাছাড়া প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের নারায়নপুর ইউনিয়নের সাধারণ টিআর, কাবিটা ও ননওয়েজ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম করে। প্রথম পর্যায়ের কাবিটা নারায়নপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চৌদ্দঘুরি মোসলেমের বাড়ি হতে বিজিবি ক্যা¤প হয়ে মোহাম্মদ আলীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পুনঃনির্মাণের জন্য ৩লাখ ৭৫ হাজার টাকা কাজ কাগজে কলমে শতভাগ কাজ দেখিয়ে বরাদ্দকৃত চেক পিআইও অফিস থেকে উত্তোলন করে নিজের ফায়দা লুটে নেয়। ওই এলাকার কয়েক জনের সাথে কথা হলে তারা জানায়, অতিদরিদ্রদের শ্রমিকের মাধ্যমে কাজ করা রাস্তায় কাবিটা প্রকল্প দেখিয়ে বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক মাটি ফেলার কাজ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান মজিবর রহমান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদকে শতকরা ২০ভাগ ও পিআইওকে ম্যানেজ করাসহ মাস্টার রোল অন্যান্য খরচ করে প্রকল্পের কাজ করতে হয়। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবিএম আকরাম হোসেন বলেন, যে কোনো প্রকল্পের কাজে কিছুটা অনিয়ম হতে পারে। সেগুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হায়াত মো. রহমতুল¬াহ বলেন, বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। রংপুর দুর্নীতি দমন কমিশনের ইপ পরিচালক আতিকুর রহমান বলেন, পত্রিকায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করেন। সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স/এষ্