কুষ্টিয়া, প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংর্ঘষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ কয়েকটি বাড়ি ও দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিথলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বিলপাড়ায় এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।
সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ও ধুবইল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল নয়টার দিকে চিথলিয়া ইউনিয়নের চার নম্বর ওর্যাডের ব্রাক শিশু নিকেতন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর এজেন্ট ওহিদুল মালিথা কেন্দ্রের ভেতরে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে ভোটারদের চাপ দিচ্ছিল।
এমন অভিযোগে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আটক করে। এছাড়া দুই ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। এদিকে ভোট গনণা শেষে সন্ধ্যা সাতটার দিকে মিরপুর উপজেলা নির্বাচন ও রিটানিং কর্মকর্তা ধুবইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী মাহাবুব রহমান মামুনকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
তবে চিথলিয়া ইউনিয়নে স্বতস্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দীন পিস্তল ১৩৭ ভোটে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী এনামুল হকের সমর্থকেরা গিয়াস উদ্দীনের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়।
এসময় উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগে বাজারের পাশে গিয়াসের বাড়িসহ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। স্বতন্ত্রপ্রার্থী গিয়াস উদ্দীন অভিযোগ করে বলেন, আমার জেতার খবরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ক্ষুব্ধ হয়ে হামলা চালায়। চিথলিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) কামরুল হাসান বলেন, সংঘষের খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। আহতদের মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স ভর্তি করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
স/এষ্

