ঢাকাসোমবার , ২২ মে ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

মানুষের মূখের ভাষার চেয়ে, চোখের ভাষা বেশী শক্তিশালী : মাসুদ বাবু

admin
মে ২২, ২০১৭ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অন্তর দৃষ্টি দিয়ে মানুষের জীবন ধারণ-জীবন যাপন এবং প্রতিহিংসা পরায়নতাকে উপলদ্ধি করা যায়। মানুষের মূখের ভাষার চেয়ে- পলকহীন চোখের ভাষা বেশী শক্তিশালী ! কারণ চোখ বা চোখের ভাষা কখনই মিথ্যা বলতে পারে না। চোখ সব সময়ই- সত্য কথা বলে !

যাকে আমি অন্তর দৃষ্টি বলি ! এই অন্তর দৃষ্টি সব মানুষের থাকে না। যার থাকে না-সে মানুষের সম্মান মর্যাদা দিতে জানে না। বুঝে না মুল্যায়ন ও গুনাগুন । জেনে, না জেনে-না বুঝে যে মানুষ গুলো অবিবেচক আচরণ করে- তারা বিবর-তাদের কোন দৃষ্টি ভঙ্গি নেই-তারা চোখ থাকতেই অন্ধ! শিক্ষিত লেবাস জড়ানো এই মানুষ গুলোই অহংকারে-হাড়িয়ে ফেলে মনুষ্বত্ব । হিংসা বিদ্বেষী এই মানুষ-নিজের কাছে বিজয়ী হলেও -জীবনের কাছে তারা ভীষনভাবে পরাজিত হয় ।

মানুষের অন্তরে যা কিছু সৃষ্টি হয়, যত কল্পনা পরিকল্পনা-ভাবনা-বলার ইচ্ছা কিন্তু -বলা যাচ্ছে না- ন্যায়-অন্যায়,বিচার-অবিচার,সুবিচার-তার সব কিছুই অন্তুর দৃষ্টি-চোখের ভাষায় সত্য প্রকাশ ঘটায়।

এটাকে আমি উপলদ্ধি বলি ! যে উপলবদ্ধি বা অনুভতি-সহনুভতি-পৃথীবিতে নয়, -বাংলাদেশের বহু শ্রেনীর মানুষের- নেই ! এদেশের-অনেক শিক্ষিতজন- আছেন ! তাদের সীমাবদ্ধতা তারা সহনুভতি প্রবন নয়। মানুষের প্রতি মানুষের-সহনুভতি বা সামান্য উপলদ্ধি প্রকাশের অভাবী মানুষই আমাদের দেশে বেশী-এটা-বিশ্বয়কর হলেও ভীষন সত্য ।

হিংসে বিদ্বেষ অহংকার ক্ষমতার অপব্যবহার -নিজের অবস্থান ধরে রাখার জন্য-মানুষের প্রতি মানুষের অবহেলা, অমর্যাদা এবং অবমূল্যায়ণ -এখন দৈনন্দিন ব্যপার। আগে পাখির কাছে সম্মান-ছিল এখন হিংস্র-পশুর কাছেও মানুষের সম্মান মর্যাদা মূল্যায়ণ নিরাপদ -কিন্তু মানুষের কাছে-মানুষের সম্মান ব্যাক্তিত্ব নিরাপদ নয়।

অন্যায়ের সুত্রধরেই-অন্যায় করা সুবিচার–নয়, এটা-অযৌক্তিক- যারা ন্যায় পরায়ন, সু-বিচারক-তারা অন্যায়কে-সংযত বা সংস্কার করার জন্য- ত্যাগি হয়। অপরাধীকে তার ভুল উপলদ্ধি করার জন্য এবং ভুল বোঝার ক্ষেত্রে-ক্ষমা করে দেওয়া উচিৎ ! অপরাধীকে ভুল সংশোধনের সুযোগ দেওয়াই -মহত্ত্ব। একজন সুবিচারকও কখনো কখনো বিচার প্রার্থীর কাছে অসহায় হয়ে পড়ে ! আমিও বিচার বিশ্লেষনে এবং সুবিচারের প্রার্থনায়-ভীষন অসহায়- নিরূপায়।

এখানেই- বিচার আর বিচারকের পার্থক্য-প্রত্যায়ন সহজ হয় ! মানুষের ব্যাক্তিত্ব নির্ভর করে-তার কথা এবং কাজে সম্পর্কের সফলতা ও ব্যর্থতার উপর ! অনেক সময় আমরা কথা বলি -কিন্তু করি না ! এটা- ব্যাক্তি কেন্দ্রীক জীবনের যাপন হলে আপত্তি নেই, কিন্তু তা যদি হয় সমষ্টিগত-বা সামজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক হয়, তাহলেই আপত্তি।

মানুষ -মানুষের জন্য- জীবন মানুষের জন্য। তাই -একটি সীমাবদ্ধতা জীবন থেকে মানুষকে আর মানুষ থেকে মানুষেকে-আলাদা করতে পারে না। জীবন ধারণে আমি ভীষন সংযত, সুশৃঙ্খলা এবং সুনিয়ম ও সুনীতির সুশাসক হয়েও জীবনের কাছে-নয়, জীবন ধারণে আমি পরাজিত।

আমার সব গ্লানি, ব্যার্থতা- আমি-মনে এবং মেনে নিয়েছি, কারন আমার অপরাধবোধ আছে । আর যাদের অপরাধবোধ নেই- সহনুভতি নেই অন্তর দৃষ্টি নেই, নেই -ভালবাসা! তাদের- প্রতিও আমি শ্রদ্ধায় সম্মানে ভালবাসায় বিনয় অবনত ।

স/এষ্