হারুন-অর-রশীদ,ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ আয়োজিত এসএসসি সমমান ও অনার্স চুড়ান্ত পরীক্ষায় এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০১৭ আয়োজন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে শির্ক্ষাথীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল প্রফেসর মিঞা লুৎফর রহমান। এসময় উপজেলা প্রশাসন কতৃক বই ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠাতা কর্তৃক রচিত মুক্তিযুদ্ধের উপর লিখিত বই বিতরণ করা হয়।
আজ শুক্রবার সকালে কলেজ চত্তরে অভিভাবক ও কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের এক মিলন মেলার অড়ানম্বরপূর্ণ আনন্দঘন পরিবেশে বক্তারা মেধাবিদের উদ্দেশ্যে বলেন, লক্ষ স্থির করে উন্নত ভবিষ্যৎ গড়বার প্রত্যয় নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। জাগ্রত অবস্থায় স্বপ্ন দেখতে হবে, নিজের সম্পর্কে উন্নত চিন্তা করতে হবে , সময়মতো সঠিক কাজটি করতে হবে, অসৎ সংগ ত্যাগ করে সৎ সংগ নিতে হবে, জ্ঞান আহরণে অভিষ্ট লক্ষ্য নির্দ্ধারণসহ অধ্যাবসায়ে মনোযোগি হতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, জীবনের চরম যাত্রার প্রথম ধাপ দৃড় প্রত্যয়ে ধরে রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, আমরা আশরাফুল মখলুকাত তাই মনুষত্ববোধ জাগ্রত হতে হবে, আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে আমরা যেন মানুষের মতো মানুষ হতে পারি, মানবতার কল্যাণে কাজ করতে পারি, আদর্শ ধারণ করে সেবার হাত বাড়াতে হবে।
উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে নৈতিকতাপূর্ণ শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে, নৈতিকতা বিবর্জিত উচ্চ শিক্ষা দেশের বড় শত্রু সুতরাং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে না চললে সে শিক্ষা দেশের জন্য, জাতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠবে। বক্তারা আরো বলেন, মিঞা লুৎফার রহমানের মতো ৫০ জন অনুরাগি থাকলে সমাজ পরিবর্তন হয়ে যেত। প্রফেসরকে কলেজের হৃতপিন্ড আখ্যায়িত করে অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রিন্সিপাল ওবায়দুর রহমান বলেন, এ কলেজ সোনার মানুষ তৈরীর অনন্য প্রতিষ্ঠান এটা যে কোন ত্যাগে টিকিয়ে রাখতে হবে।
প্রধান অতিথির ভাষণে প্রফেসর মিঞা লুৎফার রহমান বলেন, সমাজ জাগ্রত করতে মেধাবীদের ভূমিকা পালন করতে হবে। বৈরী এ সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে জাগ্রত মেধা কাজে লাগাতে হবে, মাটির কথা মনে রাখতে হবে। ৭ টা অনার্স আর ২ টা মাষ্টার্স সমৃদ্ধ এ কলেজটি ৪ টি উপজেলার মিলনকেন্দ্র তা মনে রাখতে হবে।
স/এষ্

