হারুন-অর-রশীদ,ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী টোলপ্লাজা হয়ে মধুমতি নদীতে মেশা গড়িয়াদহ খালের জায়গা দখল করে পাকা ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির সদস্য ও জুট মিল ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। ওই ব্যাবসায়ী অবশ্য দাবী করেছেন, ব্যাক্তি মালিকানাধীন জায়গা ক্রয় করে তিনি এ ভবন নির্মান করছেন।
স্থানীয়রা জানান, ব্যাবসায়ী বদিউজ্জামান বাবলু গড়িয়াদহ খালের আড়পাড়ায় ছয় শতাংশ জমির উপর আরসিসি পিলার করে দ্বিতীয়তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মান কাজ শুরু করেন গত বছর। এরই মধ্যে ভবনটির প্রথম ও দ্বিতীয় তলার আরসিসি পিলারের ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবী, ওই খাল দিয়ে মধুখালীর একাধিক বিলসহ নিচু এলাকার পানি মধুমতি নদীতে নিস্কাশিত হয়। ভবনটির কারণে পানি প্রবাহে ব্যাঘাত ঘটবে। তাই জনস্বার্থে তারা খালের জায়গায় ভবন নির্মান বন্ধের দাবী জানিয়েছেন। তারা দাবী করেন, এনিয়ে তারা বিভিন্ন দপ্তরে ধরণা দিয়েও কাজ বন্ধ করতে পারছেন না।
এদিকে, ভবন নির্মানকারী বদিউজ্জামান বাবলু দাবী করেন, তিনি ব্যাক্তিমালিকানাধীন জমি ক্রয় করে তার উপর ভবন নির্মান করছেন। তিনি জানান, আপত: দৃষ্টিতে ভবনটি খালের মধ্যে মনে হলেও খালের রেকর্ডিয় জায়গা ওই ভবন থেকে ১৫-২০ ফুট দুরে রয়েছে। তিনি আরো দাবী করেন, ব্যাক্তিমালিকানাধীন জমি খালটির গর্ভে চলে যাওয়ায় এই জায়গাটি খালের মধ্যে মনে হচ্ছে। এটি ব্যাক্তিমালিকানাধীন জমি।
মধুখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, ওই স্থানটি পাশের মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার রাজধরপুর মৌজার অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাওয়ায় আমরা কোন ব্যবস্থা নিতে পারছিনা।
আড়পাড়া ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন জানান, ওই এলাকার মানুষ ফরিদপুরের ভোটার, কিন্তু ওই গ্রামসহ কিছু অংশ পাশের মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার রাজধরপুর মৌজার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় প্রশাসনিক কাজ মাগুরার সাথে সম্পন্ন করতে হয়, যা ওই এলাকাবাসীর জন্যে দূর্ভোগেরও বটে।
স/এষ্

