সাংবাদিক পিয়াস আহমদের পিতার ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চমক নিউজ ও দৈনিক পর্যবেক্ষণের নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি পিয়াস আহমদের পিতা মরহুম মন্তাজ আলী’র সোমবার (১৮ জুলাই) ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর নিজ বাড়ির মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।মরহুম মন্তাজ আলী ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক। তিনি ১৯৩৮ সালে নেত্রকোনা সদর উপজেলার লক্ষীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়শিদ গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম মোড়ল বংশে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৬ সালে একই ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম মোড়ল বংশের হীরাধর শেখ ওরফে চমক আলী’র বড় মেয়ের সাথে পারিবারিকভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তাঁদের ৫ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তান রয়েছে। তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।মন্তাজ আলী তাঁর নিজ গ্রামে তৎকালীন সময়ে পৈতৃক ভিটা থেকে মসজিদ নির্মাণের জন্য ৪ শতক জমি প্রদান করেন। তিনি নিজ গ্রামে মসজিদ নির্মাণসহ জয়শিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জয়শিদ কমিউনিটি ক্লিনিক ও জয়শিদ ঈদগাহ্ মাঠ নির্মাণের প্রতিষ্ঠাকালীন অন্যতম সদস্য ছিলেন।তিনি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনসহ প্রতিটা জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষে নিঃস্বার্থভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর জীবনে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ৩ বার দেখা হয় এবং ১ বার হ্যান্ডশ্যাক ও কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছিল।মরহুম মন্তাজ আলী ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিব বাহিনীর অন্যতম সদস্য হিসেবে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নেত্রকোনা সদর উপজেলা শাখার প্রবীণ সদস্য ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।নেত্রকোনা সদর উপজেলার ১ম বারের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এস. এম. বজলুল কাদের শাহজাহান এঁর অতি বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসেবে তিনি ও তাঁর ছোটবেলার সহপাঠী বজলুর রহমান সারজীবন নিঃস্বার্থভাবে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাস্ট্রের জন্য কাজ করে গেছেন।মন্তাজ আলী কিডনী ও স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ২০২০ সালের ১৮ জুলাই ইন্তেকাল করেন। পরিবারের পক্ষে তাঁর ছেলে পিয়াস আহমদ সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
স/এষ্

