হাফিজুর রহমান হৃদয়, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে চাকুরিক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটা আদায়ের দাবি জানিয়েছে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড। জানা গেছে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম আজাদ মিয়ার ছেলে এম রনজু আহমেদ দীর্ঘদীন থেকে চাকুরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো চাকুরি পায়নি। সে নাগেশ্বরী পৌরসভার পূর্ব সূখাতী গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চাকুরির ব্যাপারে ৩০ভাগ কোটা চালু করলেও বিভিন্ন দপ্তরে চাকুরির আবেদন করার পরও এই অসহায় মুক্তিযোদ্ধার ছেলে রনজু আহমেদ দুর্নীতির কাছে হেরে গেছেন বরাবরই। দ্বারে দ্বারে ঘুরেও একটা সরকারি চাকুরি তার কপালে জোটেনি। বেকারত্বের গ্লানি আর অসহায়ত্ব তাকে কুঁরে কুঁরে খাচ্ছে। ৯ মার্চ ২০১৭ পূর্ব সূখাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি হলে রনজু আহমেদ উক্ত পদে আবেদন করে। সে প্রাথমিকভাবে যাছাই বাছাইয়ে টিকেছে বলে জানা গেছে। তাই বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ মনে করছেন বেকারতেœর যাঁতাকলে যেনো আর পিষ্ঠ হতে না হয় এই অসহায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে। যেনো স্বপ্ন ভেঙ্গে না যায় একজন মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধার। তাই সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছেন সকল মুক্তিযাদ্ধা। এ ব্যাপারে রনজু আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি অনেকবার চাকুরির এপ্লাই করে পরীক্ষা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে হয়েও শেষ পর্যন্ত দুর্নীতির কাছে হেরে গেছি। আমি সরকারের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি আমার এই চাকুরিটা যেনো হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম আজাদ বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করেছি অথচ আমার পরিবারের কোনো ছেলে-মেয়ের চাকুরি হয়নি। বেকার জীবন যাপন করছে। এটা খুবই দুঃখজনক। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড এর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুবকর সরকার বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটার অধিাকার যেনো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়। কোনো মুক্তিযোদ্ধার ছেলে যেনো তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় এবং বেকার না থাকে এজন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হায়াত মো. রহমতুল্লাহ বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স’/এষ্

