রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি –
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে কলছমা গ্রামের মকরম আলী ভূঁইয়া বাড়ির মনির হোসেন এর ছেলে মোঃ ফিরোজ আলম (২২) কে গত ২০ এপ্রিল বৃহষ্পতিবার বিকাল পাঁচটার দিকে একই গ্রামে শাহ আলমের বসত ঘর থেকে সন্দেহ মূলক ভাবে রামগঞ্জ থানা পুলিশ আটক করে। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। খবর পেয়ে ফিরোজের মামা মোঃ খোকন থানা আসলে এস আই মহসীন বলেন ফিরোজের কাছে দশ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া গেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা সেখানে ওয়ারেন্টের আসামী কালুকে গ্রেপ্তার করতে যাই। টের পেয়ে কালু ছটকে গেলে ফিরোজকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। তল্লাসি করে তার দেহে দশ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পরবর্তীতে এস আই মহসীন বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেন। যার নং- ১২/১৭ (রামগঞ্জ থানা) উক্ত এজাহারে উল্লেখ করা হয় ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায় ত্রিশ পিচ।
এ বিষয়ে মামলার সাক্ষী মোঃ বেল্লাল হোসেন এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ফিরোজ আমার সাথে ঢাকায় একই জায়গায় পাশের দোকানে চাকুরী করেন। সে কখনোই এসবের সাথে জড়িত নয়। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। একই কথা বলেন শাহ আলমের স্ত্রী পাখি বেগম। তিনি আরো বলেন, ফিরোজ বৃষ্টির কারনে আমাদের দরজার সামনে এসে দাঁড়ালে আমি তাকে ভিতরে আসতে বলি। তার ভেজা মাথা মোচার জন্য তোয়ালে দিই, সে মাথা মুচতে না মুচতেই পিছন থেকে পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে যায়। ফিরোজ এলাকার ভাল ছেলে, তার কোন খারাপ কিছু কখনো শুনিনি বা সে এ ধরণের ছেলেই না। কে বা কাহারা গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে তাকে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে এ মামলায় জড়িয়েছে। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মোঃ মোমেন বলেন, আসলেই ছেলেটার বিষয়ে তেমন কিছুই পাওয়া যায়নি তবে মামলার স্বার্থে আমাদের কিছু বাধ্যবাধ্যকতা রয়েছে। সচেতন এলাকাবাসী মনে করছেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে যে কেউ নিরিহ দিনমজুর এই ছেলেটিকে ফাঁসাতে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কার্যসিদ্ধি হাসিল করার জন্য।
স/এষ্

