এ.কে.আজাদ (জেলা প্রতিনিধি), লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুরে নিষিদ্ধ ইজিবাইক ধরপাকড়কে কেন্দ্র করে ট্রাফিক কনষ্টবলকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি সিন্ডিকেট বাহিনী। গত ২৫শে এপ্রিল মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাতে থাকে ইজি বাইক চালক পলাশ। এ সময় দায়িত্বে থাকা কর্তব্যরত ট্রাফিক কনস্টবল অর্ক মজুমদার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে গতিরোধ করলে সে গোটা পুলিশ সমাজকে গালমন্দ করতে থাকে এবং নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঐ কনস্টবলকে সটকিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করার চেষ্টা চালায় এক পর্যায়ে তাকে ধরে ফেললে দু’জনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তা-ধস্তির একপর্যায়ে ইজিবাইক চালক পলাশ পাকা রাস্তার উপর পড়ে যায়। আশে পাশের লোকজন ছুটে আসতে থাকলে নিষিদ্ধ ইজিবাইক সিন্ডিকেটের মদদদাতা রিয়াজ বিষয়টি ভিন্নভাবে প্রভাবিত করে সুশিল সমাজ ও সাংবাদিকদের মাঝে ধুমরোজাল সৃষ্টি করে। প্রাথমিক ধারনায় সাংবাদিক ভাইয়েরা ঐ কনস্টবলকে জড়িয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করেন। অনুসন্ধানে সু-স্পষ্ট তথ্য বেরিয়ে আসে এবং কনস্টবলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সিন্ডিকেটেরা ছড়িয়েছে তার সঠিক প্রমানাদি পাওয়া যায়নি। তাছাড়া ঘটনাস্থলের পাশে ধারনকৃত সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও প্রমাণ মেলেনি। কথা হয়, ইজিবাইক চালকের মা লায়লা বেগমের সঙ্গে তিনি জানান, তার ছেলে পূর্বে থেকেই একটু একরোখা বদমেজাজী লোক। সে পুলিশের সঙ্গে অশুভ আচরণের কারণে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে পায়ের হাড় ভেঙ্গে যায়। তাছাড়া পূর্বে পলাশের পায়ের জয়েন্টে ফ্যাক্সার ছিল। তিনি আরো বলেন, ট্রাফিক কনস্টবলকে ফাঁসাতে ইন্ধন যোগাচ্ছে নিষিদ্ধ ইজিবাইকের হোতা রিয়াজ। রিয়াজের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলাসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে কনস্টবল অর্ক মজুমদার জানায়, অবৈধভাবে চালিত অটোরিক্সা প্রতিদিন ধরে নিয়ে মামলা দেওয়া হয়। ঐ অটোরিক্সাটি ধরার পর সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে তাকে ধরতে গেলে আমাকে টেনে হিছড়ে প্রায় পড়েগিয়ে আহত হয়। এ ব্যাপারে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) জানান, কনস্টবল অর্কের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলো আনা হয়েছে তার সত্যতা মেলেনি।
স/ এষ্

