জাহিদুল ইসলাম, কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া খালের আয়রণ ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ার ৯ মাসেও পুনঃ নির্মাণ হয়নি। ফলে আমুয়া হাসপাতালে প্রতিদিন সেবা নিতে আসা রোগী, স্কুল- কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ পরেছে চরম দুর্ভোগে।
এদিকে কাঠালিয়ার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আমুয়া হাসপাতালে যাতায়াতের প্রধান সড়কের আমুয়া খালের উপর আয়রণ ব্রীজটি এ্যাম্বুলেন্সে রোগী আনা-নেয়ার একমাত্র মাধ্যম। ব্রিজটি পুনঃ নির্মান না হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে এ্যাম্বুলেন্সে রোগী আনা-নেয়া। রোগীদের স্বজনরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন ব্রিজ না থাকায় বেশী অসুস্থ্য রোগীদের বরিশাল ও ঢাকা নেয়া যাচ্ছে না। ফলে চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে অনেকেই জীবন সংগ্রামে যুদ্ধ করে পরপারে পারি জমাচ্ছে। দক্ষিনাঞ্চলের একমাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আমুয়া বন্দরের পূর্ব পারের আসা-যাওয়ার এ ব্রিজটি পুনঃ নির্মাণ না হওয়ায় বাজারে আসা হাজার হাজার জনসাধারণ পরছে দুর্ভোগে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের তত্বাবধায়নে যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে। কখনো কখনো নৌকা উল্টে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। রাত বেশি হলে নৌকাও পাওয়া যায় না। তখন যাত্রীরা পরে সীমাহীন ভোগান্তিতে।
কাঠালিয়া এলজিইডির প্রকৌশলী অমল চন্দ্র রায় জানান ব্রিজটি পুনঃ নির্মানের জন্য বরাদ্ধ চেয়ে কাগজ পত্র সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়েছি আশা করি খুব শিগ্রই এ ব্রীজের কাজ শুরু হবে। আমুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমিরুল ইসলাম ফোরকান সিকদার জানান ব্রিজটি পুনঃ নির্মাণের চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য গত ৯ মাস পূর্বে বালুভর্তি কার্গোর ধাক্কায় আমুয়া খালের উপর আয়রণ ব্রিজটির মাঝের অংশ ভেঙ্গে যায়।

