লক্ষণখোলায় মুক্তিযোদ্ধাদের কৃষি জমিতে ইকোপার্ক নির্মাণের ঘোষণায় কৃষকরা বিপাকে

লক্ষণখোলায় মুক্তিযোদ্ধাদের কৃষি জমিতে ইকোপার্ক
নির্মাণের ঘোষণায় কৃষকরা বিপাকে
॥ প্রধানমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ চান ভুক্তভোগীরা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ বন্দরের উত্তর লক্ষণখোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভীর নদীর পাড় বাধাইকরণ ও সৌন্দর্য্যবর্ধন কাজের উদ্বোধণ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

নদীর পাড়ের এসব জমির উপর সিটি কর্পোরেশনের ইকো পার্ক নির্মাণ নিয়ে বিগত ২০০৯সালে আদালতে একটি মামলা হলেও ইদানীং ফের ওই ঘোষণা দেয়ায় এলাকায় নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক কৃষক জানান,লক্ষণখোলা খেয়াঘাট এলাকার এসব কৃষি খাস জমিগুলো মূলতঃ পয়েস্তি অনুযায়ী বীরমুক্তিযোদ্ধা মৃত আবদুল মতিন ও বীরমুক্তিযোদ্ধা তাহেরুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা,বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল মারুফ,বীরমুক্তিযোদ্ধা নূরুল আমিন প্রায় ৭০/৮০বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছে।

www.linkhaat.com

সেইসব কৃষি জমির উপর সব সময় স্থানীয় কাউন্সিলরসহ একটি চক্রের নজর পড়ে থাকে। তারা বার বারই খাসের অযুহাতে কখনো হাট কখনো খেলার মাঠ গড়ে তোলার নামে জমি দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। কখনো আবার এসব জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ইটখোলায় বিক্রি করে নিচ্ছে ওই একই চক্রটি।

গতবারের ঈদ-উল-আযহার প্রাক্কালেও তারা নিরীহ কৃষকদের জমির উপর গরুর হাট বসানোর চেষ্টা করে কিন্তু এলাকাবাসীর মানববন্ধনসহ নানামুখী কর্মকান্ডের তোপের মুখে পড়ে তাদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। বর্তমানে ওই চক্রটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে মিসগাইড করে বনায়ন ও ইকোপার্কের নামে আবারও বেদখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।

এনায়েত গ্রুপের পরিকল্পিত এসব কুকর্মের কারণে কৃষকরা আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। নিরীহ কৃষকদের দাবি,এই জমিতে ফসলাদি চাষাবাদ করে এলাকার শত শত কৃষক তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে দিনাতিপাত করে আসছে। এই জমি বেদখল হয়ে গেলে এসব পরিবারগুলো পথে বসার উপক্রম হয়ে পড়বে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা তাদের জমি রক্ষার দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

স/এষ্

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love

Warning: A non-numeric value encountered in /home/chomoknews/public_html/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 997