সাঈদ ইবনে হানিফ। বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের বাঘারপাড়ায় একটি মেয়েলি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দ’ুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৯জন আহত হয়েছে। আর এই ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চলছে বলে এলাকায় জোর গুনজন শুরু হয়েছে। স্বরেজমিন অনুসন্ধানে জানাযায় কিছুদিন আগে উপজেলার বাসুয়াড়ি ইউনিয়নের ঘোষনগর গ্রামের চৈতন্য বৈরাগীর পুত্র চন্না বৈরাগী (৬০) এর সাথে পাশ্ববর্তী বাগডাঙ্গা গ্রামের আঃ গফ্ফারের পুত্র বাহারুল (৩২) এর মধ্যে একটি নারী গঠিত বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় যা নিয়ে ঐ দু’জনের মধ্যে বেশ কয়েকদিন যাবৎ উত্তেজনা ভাব বিরাজ করছিল। যার সূত্র ধরে গত ৭এপ্রিল সন্ধ্যায় স্থানীয় বাগডাঙ্গা বাজারের নারায়নের দোকানের সামনে আবার ঐ দু’জনের মধ্যে বাগবিতান্ড হয়। পরক্ষণে উভয়পক্ষ সংগঠিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে চন্না বৈরাগী (৬০), ভাই স্বপন বৈরাগী (৫৫) কার্তিক (৫০) উজ্জ্বল (৪৮) ও চন্নার পুত্র তাপস (৩৫), কানাই (৩২) অপর পক্ষে আঃ গফ্ফারের পুত্র বাহারুল (৩২), শফিয়ার রহমানের পুত্র আনছার আলী (৪৫), কওছার (৪০) সহ উভয়পক্ষে ৯জন কমবেশি আহত হয়। পরদিন ৮ এপ্রিল স্ববেশ্বর বৈরাগী বাদী হয়ে ঐ সংঘর্ষে আহত আনছার আলী, কওছার আলী, আঃ গফ্ফারের পুত্র শরিফুল, বাহারুল, কান্চন সরোয়ারে পুত্র ফারুক, মোহাম্মাদ আলীর পুত্র কলেজ ছাত্র মাসুদ রানা, আঃ মান্নানের পুত্র শাহিদুল, রবিউল সহ ১১ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনের নাম উল্লেখ করে বাঘারপাড়া থানায় মামলা দায়ের করে যার নং ১২। পুলিশ এই সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঐদিনই আহত আনছার আলী ও কওছার আলী সহ ৮জনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এদিকে গত ৯ এপ্রিল এই ঘটনা সরেজমিন অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায় স্থানীয় বাগডাঙ্গা বাজারের আশপাশ এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক জনজড়ো হতে। জিজ্ঞাসা করলে তারা জানাই স্থানীয় কতিপয় মসলমান উগ্রবাদী (যারা আওয়ামীলীগ কর্মী সমার্থক) তাদের – হিন্দুদের ঘর বাড়িতে হামলা করে জান মালের ক্ষতি সাধন করেছে। তাই আমরা যশোর শহরে যাচ্ছি মানব বন্ধন করতে। তাদের মানব বন্ধন ব্যানারে লেখা ছিল সংখ্যা লঘু নির্যাতন কারীদের বিচার চাই। এ বিষয়ে দৈনিক আমাদের কণ্ঠ ও রেডিও চমক প্রতিবেদকের কথা হয় এলাকার একাধিক হিন্দু ও মসলমান পুরুষ মহিলার সাথে, তারা জানায় এই এলাকায় হিন্দু ও মসলমান সম্প্রদায় দীর্ঘবছর ধরে মিলে মিশে বসবাস করে আসছে। তাদের মধ্যে ইতিপূর্বে সম্প্রদায়ীক সংঘাতে কোন ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ একটি বিশেষ রাজনৈতিক মহলের ইন্দনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি স্বার্থনেষী মহল। তাদের দাবী সংখ্যা লঘু নির্যাতনের কোন ঘটনা এখানে ঘটেনি। যা ঘটেছে তা একান্তই ব্যক্তি কেন্দ্রীক ও পারিবারিক আক্রোসমূলক। যাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার কোন সুযোগ নেই।
স/ এষ্

