কেন্দুয়ায় ধানের মাঠে কৃষকের হাহাকার পরিদর্শন করলেন ধান গবেষণা ইনস্টিউটের কর্মকর্তাগণ
রাখাল বিশ্বাস, কেন্দুয়া প্রতিনিধি- নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার হাওর গুলোতে চলছে কৃষকের হাহাকার। তপ্ত হাওয়ায় শুকিয়ে যাওয়া ধানগাছগুলো দেখলে মনে হবে বিস্তৃর্ণ হাওর জুড়ে দোলছে যেন পাকা বোরো ধান। কাছে গেলে দেখা যায় সোনালী রংয়ের পরিবর্তে মরে চুঁচা হয়ে যাওয়া ফ্যাকাশে সাদা রং।
প্রতি হাওরের এ দৃশ্য দেখে যে কারো মন ভারাক্রান্ত না হয়ে পারে না। মঙ্গলবার সরেজমিন হাওরে গিয়ে দেখা যায় স্বপ্নভাঙ্গা কৃষকের মুখে হতাশার ছবি ! কি করে এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠবেন এ চিন্তায় তারা দিশেহারা।
খবর পেয়ে মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) গাজীপুর থেকে ছুটে আসেন ‘ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট’ হতে প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. নাজমুল বারী, সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার আশিক ইকবালসহ ৩জন কর্মকর্তা।
কেন্দুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম শাহজাহান কবির তাদের নিয়ে ব্রাহ্মনজাত, টেংগুরী ও গোগ হাওর পরিদর্শন করেন। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, রোববার রাতের তপ্ত ঝড়ো হাওয়ার কারণে ‘হিট ইনজুরী’ হয়ে ধানের এ ক্ষতি হয়েছে।
কেন্দুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম শাহজাহান কবির আরো জানান, রোববার (৪ এপ্রিল) রাতে কালবৈশাখীর তপ্ত ঝড়ো হাওয়ায় বোরো ধানের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনউদ্দিন খন্দকারকে নিয়ে হাওর পরিদর্শন করি। মঙ্গলবার গাজীপুর হতে আগত ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাগণকে নিয়ে বিভিন্ন হাওর পরিদর্শন করেছি।
এ বছর উপজেলায় ২০ হাজার ৭শ ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছিল। ধান বেড় হওয়ার সময় ঝড়ো গরম হাওয়ায় ৩ হাজার ২০ হেক্টর জমির ধানের ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান।
স/বি

