এম এম রহমান , মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি : মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার ও শিলই ইউনিয়নের পদ্মার চরে উঁচু জমিগুলোতে এবার বোনা আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। পদ্মায়বহু বছর ধরে নদী ভাঙ্গনের ফলে ইউনিয়ন দুটিকে উত্তর আর দক্ষিনে বিভক্ত করে ফেলে।
দক্ষিনে পদ্মার পলি জমে বিশাল চরের সৃষ্টি হয়েছে। মাটির উর্বরতা এবং মাটির গুণাগুণ ভালো হওয়ায় চরের জমিতে তিন থেকে চার ধরনের ফসল ফলাতে পারে কৃষকরা। বিস্তৃত চরে জুড়ে এখন ইরি, আউস, বোনা আমন,আটাসসহ বিভিন্ন জাতের ধানের আবাদ। দক্ষিণা হাওয়ায় দুলছে পাকা ধান।
জমির পাশ দিয়ে হাটার সময় কানে আসে পাকা ধানের ঝন ঝন শব্দ। এ যেন পদ্মার দক্ষিণা হাওয়ায় প্রকৃতির অপরূপ খেলা। কৃষকরা ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাশাপাশি গ্রামের নারীরা নতুন ধান মাড়াই আর শুকানোর কাজে কৃষকদের সহায়তা করে চলছে।
তাদের এই ব্যস্ততা চলবে আরো ১৫ দিন। এরপর শুরু হবে ওই জমিগুলোতে আগাম আলু রোপনের কাজ। স্থানীয় কৃষক আবুল হাশেম জানান, জমিতে এবার ফলন ভালো হয়েছে। বন্যায় জমিতে পানি জমেনি। এবছর বৃষ্টি ভালো হওয়ায় জমিতে পানির কোন অভাব হয়নি। আর ২০ দিন পর এই জমিতে আলু, ভুট্টা, বোনা আমন, মরিচ চাষ চলবে পৌষ মাস পর্যন্ত।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: শাহ আলম জানান, ‘এবছর জেলায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোনা আমন ধানের আবাদ হয়েছে। এ ধানের জমিতে পানি হলেও ধানগাছ দাঁড়িয়ে থাকে। গত বছরের তুলনায় এবারও ফলন ভালো হয়েছে। ধান রোপনে কৃষকদের সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। #
স/ম

