ঢাকাশুক্রবার , ১৭ মার্চ ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

কেশবপুরে বিদ্যুতের লাইন নির্মাণে বাঁধা ,আটক ১

admin
মার্চ ১৭, ২০১৭ ২:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুর উপজেলার মজিদপুর গ্রামে বিদ্যুতের নতুন লাইন নির্মাণকালে বাঁধা প্রদানসহ শ্রমিকদের মারপিট করে তার সরঞ্জাম কেড়ে নেয়ার অভিযোগে পুলিশ মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। এ সময় তার বাড়ি থেকে বিদ্যুতিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ঠিকাদার জামালউদ্দীন টুটুল বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ও এলকাবাসী জানায়, যশোর প্ল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কেশবপুর জোনাল অফিসের আওতায় উপজেলার ১৪৪টি গ্রামে ২০১৬ সাল থেকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে গত জানুয়ারী মাস থেকে উপজেলার মজিদপুর গ্রামের কাজী পাড়ায় আধা কিলোমিটার নতুন লাইন নির্মাণের কাজ শুরু করেন যশোরের মেসার্স পিয়াল এন্ড কোম্পানীর সত্ত্বাধিকারী জামালউদ্দীন টুটুল। গত সোমবার ঠিকাদার তাঁর শ্রমিকদের নিয়ে ওই পাড়ায় নতুন লাইন নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ সময় গ্রামের মৃত আফছার মোড়লের ছেলে নুর আলী মোড়ল ওরফে বিনা বৈদ্যুতিক খুটি বসানোর কাজে বাঁধা সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বিশ্বনাথ শিকদার, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মহিউদ্দিন, যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার আব্দুর রশিদ মৃধা, এলাকা পরিচালক মোতাহার হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা দুই দফা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাঁধা প্রদানকারীদের চাহিদা মোতাবেক আরও কয়েকটি খুটি স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। খুঁটি বসানোর পর খুঁটিতে বৈদ্যুতিক তার স্থাপনের সময় মামলাবাজ নূর আলী, তার ছেলে হাসান, বিল¬াল হোসেন, সোয়েবসহ কতিপয় ব্যক্তি লাইন নির্মাণকারী শ্রমিকদের মারপিট করে তারসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেড়ে নিয়ে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এ ঘটনায় বুধবার রাতে ঠিকাদার জামালউদ্দীন টুটুল থানায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পুলিশ ওই রাতেই এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ডা. আকবার আলীর ছেলে মিজানুর রহমানকে আটক করে। এ সময় তাঁর ঘর থেকে বৈদ্যুতিক তারসহ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। মামলার অন্য আসামীরা পলাতক রয়েছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর জোনাল অফিসের ডেপুটী জেনারেল ম্যানেজার ছিদ্দিকুর রহমান জানান, নুর আলী ২০১৪ সালে তার সেচ সংযোগ নিয়ে গ্রাম্য দলাদলিতে জড়িয়ে এলাকার ২০/২৫ জন ব্যক্তির নামে বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক অভিযোগ করেছেন। এছাড়া তিনি প্ল্লী বিদ্যুৎ ও বিএডিসি কর্মকর্তাদের নামেও মামলা করেছেন। তিনি পল্লী বিদ্যুতের কোন আইন মানতে চান না। এবারও তিনি প্ল্লী  বিদ্যুৎ সমিতিকে জিম্মি করে আরেকটি সেচ সংযোগ নিতে চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। কেশবপুর থানার ওসি তদন্ত শেখ মাসুদুর রহমান জানান, সরকারী কাজে বাঁধা দেওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। একজনকে আটকসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

স/ এষ