ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে সেই ধর্ষক মাদ্রাসা অধ্যক্ষ এর জামিন দিয়েছে ঝালকাঠির জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু নির্যাতন ভবন
ট্রাইব্যুনাল-১। যার মামলা নং জিআর ২০৩। রবিবার বেলা ১২টার দিকে তাকে জামিন প্রদান করেন ঝালকাঠির উক্ত আদালত। এদিকে মাদ্রাসা
সুপার কতৃর্ক নিজ ছাত্রীকে ধর্ষনের ঘটনায় এলাকায় শনিবার ফাঁসির দাবীতে শত শত লোক মানব বন্ধন পালন করে। কিন্তু পরের দিন
রবিবার জামিন দেন আদালত। ঘটনার বিবরণেজানা যায়,ঝালকাঠি সদর উপজেলার তেরআনা শাহমাহমুদিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এসএম কামাল উদ্দিন খন্দকারের বিরুদ্ধে নিজ মাদ্রাসার ৮ম শ্রেনির এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করার অভিযোগ মামলা হয়। ঐ ছাত্রী কামাল উদ্দিনের বাসায়ই গৃহপরিচারিকার কাজ করতো।
ধর্ষনের খবর পেয়ে শনিবার রাতে পুলিশ কামালের মেঝ ভাইয়ের বাড়ী থেকে ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করে ঝালকাঠিতে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসে। ঘটনার পর কামাল উদ্দিন পলাতক রয়েছিল। এলাকাবাসী জানায়, গত শুক্রবার দুপুরে কামাল উদ্দিন নিজ বাড়ীতে ঐ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।
এ সময় ঘটনাটি জানাজানি হলে কামাল গা ঢাকা দেয়। ধষর্নের স্বীকার মেয়েটিকে কামালের মেঝ ভাই জামাল উদ্দিনের বাড়ীতে আটকে রাখা হয়।
সেখান থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি নিয়ে আসে। এলাকাবাসী আরো জানায়, ঐ দরিদ্র মেয়েটিকে বাসায় কাজে রাখার সুবাধে দীর্ঘদিন থেকে সুপার কামাল উদ্দিন জোরপূর্বক শারীরীক সর্ম্পক করে আসছিলেন।
গত শুক্রবার দুৃপুরে বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ পায়। গাভারাম চন্দ্রপুর ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাগর মাঝি সাংবাদিকদের বলেন, কামাল উদ্দিন নিজ মাদ্রাসার ছাত্রীকে বাসায় ধর্ষণ করেছেন, এ খবর আমি শুনেছি।
এলাকাবাসী জানায়, মাদ্রাসা সুপার প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চান না। কয়েক বছর আগেও কয়েকবার বার সুপার
কামালের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ধষর্ণের অভিযোগ উঠে ছিলো। তখনবিষয়টি স্থানীয়প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে সুপার ধামাচাপা দিতে সক্ষম হন।অধ্যক্ষ এসএম কামালের আইনজীবি এ্যাড. বনি আমীন বাকলাই এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মামলার ড্রাফটে কিছু ত্রুটি থাকায় সে অতি সহজে জামিন পেয়েছে। ৎ
স/এন

