ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ আগস্ট ২০১৯
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাঙলা কলেজে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

nayem ahmed
আগস্ট ২৯, ২০১৯ ১০:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার: যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করল সরকারি বাঙলা কলেজ।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১১ টায় প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলায় কলেজের অডিটোরিয়ামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাঙ্গালীর শোকের মাস আগস্টে সারা মাস ব্যাপী কলেজে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ১৫ই আগস্ট কালো ব্যাচ পরিধান করা, কালো পতাকা উত্তোলন, শোক সভা, ৩২ নম্বরে পুষ্পস্তবক অর্পন, রচনা প্রতিযোগিতা, রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষ রোপণ, দোয়া মাহফিল, হাম-নাত ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ বলেন, সবাই বলে একদল বিপদগামী সেনা সদস্যদের হাতে বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে শহিদ হয়েছেন। কিন্তু আমি এটা বিশ্বাস করি না। আমি তোমাদের কে বলতে চাই, ১৫ই আগস্টে যে নরকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল তা ছিল পূর্বপরিকল্পিত একটি সেনা অভূধ্যান।

তিনি বলেন, ঘাতকদের মুল লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর পুরো বংশকে ধ্বংস করে দেওয়া। কারণ ওরা জানত কেউ যদি বেচে থাকে তাহলে বাংলাদেশ উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে যাবে।

তিনি আরোও বলেন, একটি রির্পোটে বলা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বেচে থাকলে ১৯৯০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ পরিণত হত। আর বর্তমানে আমরা একটি উন্নত বাংলাদেশে বসবাস করতাম।

যেটা তোমরা বর্তমানে দিকে তাকালে ও বুঝতে পারবে। আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নত হয়েছি। ভিশন দেওয়া হয়েছে ২০৪১ সাল। কিন্তু বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ৪১ দরকার হবে না আমরা ২০৩০ সালের মধ্যেই উন্নত ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশে রূপান্তরিত হব।

উপাধ্যক্ষ বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয় আর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বাংলাদেশে পদার্পন করেন। যখন থেকেই পরাজিত শক্তির ঘা জালা শুরু হয়। তারেই ধারাবাহিকতায় প্রথমে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হয় এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়।

তিনি আরোও বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি সেই পরাজিত শক্তি এখনো ওতপেতে আছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু হলে এরা বিব্রতবোধ করে। এদের বিষয়ে আমাদের কে সাবধান থাকতে হবে।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ মাস ব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ফেরদৌসী খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সহিদুল ইসলাম,

এছড়া শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আবু বকর মিয়া ও বিভাগীয় প্রধান সহ বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড.আফরোজা বেগম।

 

স/এন