কলারোয়া সাতক্ষীরা প্রতিনিধি,
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার খোর্দ্দ ৪০৯ কেন্দ্র সচিব রবিউল ইসলাম ও খোর্দ্দ গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষকরা শিক্ষির্থীদের অথর্ আতœসাৎ, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর পাওয়া গিয়াছে। উক্ত শিক্ষক মহোদয়গণ ৭ টি বিষয়ে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার নামে ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা হারে বানিজ্য করেছেন। রবিউল ইসলাম যোগসাজসে তিনি ও তার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কৃষ্ণ ও খোর্দ্দ গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হলেন নিরঞ্জন কুমার ঘোষ ও জগদীশ এ দুর্নীতির সাথে জড়িত আছে বলে জানা যায়। বিশেষত শারিরিক শিক্ষা, ক্যারিয়ার শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি মোট ৩ টি বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা আচার আচরণ এর উপর নম্বর দিয়ে থাকেন, সেখানেও ঐ একই হারে চাঁদা নিয়েছেন। সচিব রবিউল ইসলাম পূর্ব থেকেই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছেন তাহা অনেকের মুখে তোলপাড় তুলেছে। ইতিপূর্বে যে সব শিক্ষকরা পরীক্ষায় ইনভিজিলেটারের (কক্ষ পরিদর্শক) দায়িত্বে ছিলেন তাদেরকে দিন প্রতি ৫০ টাকা হারে সম্মানি দিয়েছেন যাহা আগের বছরের তুলনায় অনেক কম। প্রসঙ্গত বোর্ড ২০ টাকা হারে সায়েন্স ও কৃষি শিক্ষা প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও সেখানে মোটা অংকের বানিজ্য হয়েছে। শিক্ষর্থীদের এ অর্থে স্কুল প্রধানসহ তার মতানুসারি শিক্ষকদের নিয়ে এক বিরাট মধ্যাহৃ ভোজের আয়োজন করেন যাহা শুনে অন্যান্য কেন্দ্র সচিবগণ চমকিয়ে উঠেন। শিক্ষকদের এ দুর্নীতি ও অনিয়মের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিভাবকরা মত প্রকাশ করেন।
স/ এষ্

