মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ৭ মার্চ একটি ঐতিহাসিক ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে ৭ মার্চে সারা দেশের মানুষ এক হয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সেদিন গ্রামে গ্রামে সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।
৬ মার্চ সোমবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগির ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলায়তনে বিবি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মো. রশিদুল আলম। তিনি বলেন, ৭ মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক কারণ বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এছাড়া তিনি বলেন, ৬ দফার মূল দাবি ছিল বাংলাদেশ হবে একটি স্বাধীন দেশ।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান। তিনি বলেন, বাঙ্গালি ও অবাঙ্গালি সবাই আমরা ভাই। আমরা ধর্মভীরু ধর্মান্ধ নয়। ৭ মার্চ বাঙ্গালি চেতনাকে জাগ্রত করেছে।
এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সদস্য মারুফা আখতার পপি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধেও সঠিক ইতিহাস যাতে বর্তমান প্রজন্ম জানতে পারে সেজন্য প্রথম শ্রেণি থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত পাঠদানের ব্যবস্থা করা হোক। এছাড়া পাঠদানের পাশা-পাশি বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
এছাড়া আরো অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, দেশের জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল নতুন সময় ডটকম-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওগাত হোসেন বাবলু এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাবান মাহমুদ। এতে সভাপতিত্ব করেন বিবি ফাউন্ডেশনের সভাপতি বাহাদুর বেপারি।
স/শা

