ঢাকাশুক্রবার , ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

নারায়নগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী রেজাউল দুদকের মামলায় মুন্সীগঞ্জ কারাগারে

admin
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: প্রতারনা করে মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদে উচ্চমান সহকারী পদে চাকরি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী রেজাউল করিমকে দুদকের মামলায় কারাগারে প্রেরন করেছে মুন্সীগঞ্জ আদালত।
দুদক সুত্রে জানা যায়, চাকরি নেয়ার প্রায় ১৭ বছর পর দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঁদপুর জেলার মতলব থানার চরলক্ষীপুর গ্রামের আবু বকর সিদ্দীকের ছেলে রেজাউল করিমের সার্টিফিকেট না দিয়ে চাকরি নেয়ার বিষয়টি।
এ ঘটনায় বর্তমান কর্মস্থল নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-২ এর উপ সহকারী পরিচালক গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন।
উক্ত মামলায় রেজাউল করিম গত ৮ জানুয়ারি উচ্চ আদালতে গেলে হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও কৃঞ্চ দেবনাথের বেঞ্চ তাকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়ে মুন্সীগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পন করার নির্দেশ দেন। এরপর গত ১৯ শে ফেব্রুয়ারি আদালতে জামিনের আবেদন করলে মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শওকত আলী চৌধুরী তাকে জেলহাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জের দুদকের আইনজীবী মো. আশরাফ-উল-ইসলাম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে মুন্সীগঞ্জের উচ্চমান সহকারীর ৫ জনের শুন্য পদে লোক নিয়োগের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। স্থানীয় সরকার জেলা পরিষদ কর্মকর্তা ও কর্মচারী চাকরি বিধিমালা ১৯৯০তে উচ্চমান সহকারী পদে নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক পাশের উল্লেখ ছিলো। কিন্তু রেজাউল করিম মিথ্যাভাবে নিজেকে স্নাতক পাশ উল্লেখ করে উচ্চমান সহকারী পদে আবেদন করে।
জেলা পরিষদ, মুন্সীগঞ্জের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ কর্তৃক রেজাউল করিমকে নিয়োগপত্র প্রধান করা হয় । ২০০১ সালের ৩০ শে সেপ্টেম্বর রেজাউল করিম মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদে উচ্চমান সহকারী পদে যোগদান করে। যোগদানের ২৪ দিনের মাথায় একই বছরের ২৪ শে অক্টোবর রেজাউল করিম বদলী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদে যোগদান করে।
দুদকের তদন্তকালে রেজাউল করিমের ব্যক্তিগত নথি মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধানকালে রেজাউল করিমের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র সরবরাহ করার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হয় এবং জেলা পরিষদ দুদককে জানায়, রেজাউল করিম তার স্নাতক পাশের সনদপত্র জমা প্রদানের জন্য ১৫দিনের লিখিত সময়ের আবেদন করেও দিতে পারেনি।
দুদক আরও জানায়, চাকরিতে আবেদন ও যোগদানের যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও এবং স্নাতক পাশ না হয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে জেনে বুঝে মিথ্যাভাবে চাকরিতে যোগদানের পর প্রতারনা ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি ২১ লাখ ২০হাজার ৯৮০টাকা বেতনভাতা গ্রহন করে আত্মসাত করেছে। এ ঘটনায় রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দ:-বিধির ৪১০/৪৬৬/৪৬৮/৪৭১/২০১ ধারায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় গত বছরের ১৬ই ডিসেম্বর দুদক মামলাটি দায়ের করেন ।

স/এষ্