ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নাছিরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরেআলম সিদ্দিকি লাভলুর বিরুদ্ধে শিশু কার্ডের (ভি.জি.ডি) মালামাল বিতরণে অনিয়ম ও ৪০ দিনের দুটি প্রকল্প থেকে টাকা অত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তার আদেশ ক্রমে মহিলা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাসউদা হক ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের সাহায্যে ১১ বস্তা চাউল উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
নাছিরাবাদ ইউনিয়নের ৮ জন মেম্বর ,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি বর্গের নিকট জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে চেয়ারম্যান লাভলু ১৩১ জন ভিজিডি কার্ডধারীর মধ্যে চাউল বিতরণ করছিল। প্রত্যেক কার্ডধারী ৩০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও চাল কম মনে হওয়ায় তারা গোপণে বস্তা ওজন করে দেখে বস্তায় ২৪ কেজি চাল আছে। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে মেম্বর ও স্থানীয় আওয়ামলীগনেতাসহ বিভিন্ন লোকজান জড় হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ,মহিলা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাসউদা হককে পুলিশ ও ওসি এল এসডিসহ ঘটনা স্থলে পাঠান। এ সময় সবার সামনে বস্তা ওজন দিলে চাউলসহ বস্তার ওজন হয় ২৪ কেজি চার’শ গ্রাম। এ অবস্থায় মহিলা অধিদপ্তরের অফিসার বিতরণের বাকী ১১ বস্তা চাউল জব্দকরে ভাঙ্গা নিজ অফিসে নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে মহিলা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাসউদা হক জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে ঘটনাস্থলে যেতে বললে আমি পুলিশসহ সেখানে উপস্থিত হই। লোকজনের সামনে বস্তা ওজন করলে বস্তার ওজন হয় প্রায় ২৪ কেজি। এ অবস্থায় বিতরণের বাকী ১১ বস্তা চাল আমি পুলিশের সাহায্যে নিয়ে আসি। তিনি আরো জানান, নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হবে প্রাপ্ত রিপোর্টের আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে নুরে আলম সিদ্দিকি লাভলু চেয়ারমানের নিকট প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি বস্তা ধরে এনেছি মাল দিয়েছি সেভাবে কম হলে আমি কি করব।
স/শা

