মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন আবারও উত্তপ্ত করে তুলেছে একদল অস্ত্রধারী। সুত্রে জানাযায়,আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আ”লীগের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারি ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন সংঘর্ষ চলে আসছিল। গত- ইউপি নির্বাচনের আগে এবং পরে এই দু’গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ বাঁধে। এতে দু”গ্রপের বাড়ী ঘরে ককটেল হামলা,প্রতিপক্ষের বাড়ীঘর ভাংচুর ও ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসন ৭ই ডিসেম্বর দু”পক্ষের ৫ জন করে লোককে ডেকে এনে মুচলেকা নেয়। দু”পক্ষই অঙ্গিকার করেন তারা কোন ধরনের সংঘাতে জড়াবে না। এলাকায় শান্তিপূর্ন পরিস্থিতি বজায় রাখবে। এই মুচলেকা দেওয়ার এক মাস পূর্ন না হতেই ৩ জানুয়ারি সকাল থেকেই দু”পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এরপর থেকে ইউনিয়নটিতে প্রকাশ্যে অস্ত্রধারী এবং শত শত ককটেল বহনকারী ক্যাডারদের আলুর জমিতে মহড়া দিতে শুরু করে। ফাঁকে ফাঁকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়ী ঘরে ককটেল হামলা করেন। সংঘর্ষ চলাকালে দু”পক্ষের লোকদের কাছেই বিপুল পরিমান দেশী, বিদেশী অস্ত্র ও শত শত পিছ ককটেল বহন করতে দেখা যায়। প্রতিটা সংঘর্ষে কমপক্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরন ঘটায় দু”পক্ষের সমর্থকরা। এতে স্থানীয় সাধারন বাসিন্ধারা সব সময় ভয় আর আতংক নিয়ে দিন কাটায়।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, আমরা এলাকার শান্তি চাই। ইউনিয়নটিতে প্রকাশ্যে অস্ত্র ও ককটেল নিয়ে যুদ্ধের মত পরিস্থিতি সৃস্টি করছে কারা?। অস্ত্রধারীরা কে কার লোক? কে তাদের অস্ত্র এবং গোলাবারুদ কেনার জন্য অর্থ দিচ্ছে? । বহিরাগত গ্রাম থেকে কারা এই দু”পক্ষের সংঘর্ষে জড়িত হচ্ছে। তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি বলে মনে করেছেন অনেকে। তবে অস্ত্রধারী চিহ্নিতরা গ্রেফতার না হওয়ায় ইউনিয়নটি জুরে আতংক বিরাজ করছে। এদিকে পুলিশ সর্বদা টহল জোরদার রেখেছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো: আলমগীর হোসাইন বলেন, মোল্লাকান্দির সংঘর্ষের ঘটনার সাথে জড়িত এ পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করেছি। অস্ত্রধারী লালগেঞ্জি পরিহিত রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে । অস্ত্রধারী থেকে শুরু করে এই সংঘর্ষের সাথে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।
স/এষ্

