মো. আলী আশরাফ খান :
তিতাসে পতিত জলাশয়কে ভূমিদস্যুদের গ্রাস হতে উদ্ধার করে খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্তির আবেদন জানিয়েছেন বহু পরিবার।
জানা যায, তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে ৫ একর ৭১ শতক পতিত জলাশয়কে ভুমিদস্যুদের গ্রাস হতে উদ্ধার করে খাস খতিয়ানে অন্তর্ভূক্তির আবেদন করেছেন স্থানীয় ১৩২টি পরিবার। আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে তিতাস উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর। এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, তিতাস উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজেই। এছাড়া ভুমি মন্ত্রণালয়, ভূমি সংস্থার বোর্ড, বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রাম, জেলা প্রশাসক কুমিল্লা ও সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কুমিল্লা বরাবরে আবেদনপত্র ই-মেইল ও কোরিয়ার সার্ভিস যোগে জরুরিভিত্তিতে পাঠানোর জন্য গণ-স্বাক্ষর শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন, আবেদনকারি দলনেতা সমাজসেবী মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।
ওই আবেদনপত্রে উল্লেখ্য রয়েছে, ‘পতিত জলাশয়কে ডোবা/কৃষি জমি দেখিয়ে মিথ্যা হলফনামার মাধ্যমে ৪ একর ৬৫ শতক জায়গা ১১ ব্যক্তি বন্ধবস্ত নিয়ে নিয়মের তোয়াক্কা না করে বিক্রয় করে ফেলে-যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ’। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয় যে, উক্ত জলাশয় হতে ভূমিদস্যুরা প্রতি মৌসুমে ৩-৪ লাখ টাকার মাছ বিক্রয় করে আসছেন। যা সরকার রাজস্ব হিসেবে প্রতিবছর আদায় করতে পারতেন। মিথ্যা তথ্যেরভিত্তিতে সরকারি জায়গার মালিক বনে যাওয়া হাজী মো. আব্দুর রশিদ ও দেলোয়ার হোসেনের হাত হতে জলাশয় উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আবেদনকারিরা অনুরোধ করেছেন। অন্যথায়, তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করবেন বলে জানান।
এব্যাপারে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলেন,‘উক্ত জলাশয়কে যারা শ্রেণি পরির্তন দেখিয়েছেন ও নিয়মের লঙ্গণ করে বেচা-কেনা এবং ভোগদখল করছেন তাদের ব্যাপারে সরকারের পক্ষ হতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। আর নয়তো এক এক করে আমাদের জলাশয়গুলো বিলীন হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, এতে করে হুমকির মুখেও পড়বে আমাদের পরিবেশ’।
স/এষ্

