আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
শনিবার ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দু-দলের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলায় ষড়যন্ত্রে স্বীকার হলেন ঐ গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে ও ঢাকার স্বণামধন্য এক্স গ্রুপ অফ কোম্পানির কর্মঠ অফিসার রেজোয়ান হোসেন।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, মো. রেজোয়ান হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার এক্স গ্রুপ অফ কোম্পানিতে অফিসার পদে কর্মরত আছেন। তিনি মাঝারদিয়া তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি হিসাবে সুনামের সাথে যুবকদের বেকারত্ব দুর করার কাজ করে আসছেন। সালথা উপজেলাসহ নগরকান্দা, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, মধুখালী ও ফরিদপুর জেলার প্রায় ৩শত বেকার যুবককে কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন। রেজোয়ান কখনও সংঘর্ষ, মারামারী ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকেন না বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হামিদের সমর্থকদের সাথে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম মাতুব্বারের সমর্থকদের মধ্যে দেশিয় অস্ত্র ঢাল-কাতরা, সড়কি-ভেলা, রামদা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সংঘর্ষে উভয় দলের অন্তত ১২ ব্যাক্তি আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এঘটনায় সেলিম মাতুব্বারের চাচা দেলোয়ার মাতুব্বার বাদী হয়ে ৪৯ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ঢাকায় কর্মরত বেকার যুবকদের অহংকার রেজোয়ান হোসেনকে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা আসামী দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিন রেজোয়ান এলাকায় ছিলেন না বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন রেজোয়ান হোসেন ।
এব্যাপারে মোবাইল ফোনে সেলিম মাতুব্বার এ প্রতিনিধিকে জানান, রেজোয়ানকে কারা আসামী করেছে সেটা আমার জানা নাই। আমার অজান্তে যদি কেউ রেজোয়ানকে আসামী করে থাকে তাহলে চার্জশিটের সময় তাকে বাদ দিয়ে দিবো।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় সেলিমের চাচা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে। আমাদের জানা নেই কোন আসামী ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলো কি, ছিলো না। তবে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স/এষ্

