ঢাকাশুক্রবার , ৮ ডিসেম্বর ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

ইবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে আটক ২

admin
ডিসেম্বর ৮, ২০১৭ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে আটক ২

ইমানুল সোহান, ইবি প্রতিনিধি-
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ ¯œাতক (সম্মান) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে কাজী ফেরদৌস হাসান জয় ও সাব্বির রহমান নামের দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন । শুক্রবার ‘সি’ ইউনিটের ২য় শিফটে পরীক্ষা চলাকালে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনের সামনে থেকে আটক হয় দুই শিক্ষার্থী। পরে ভ্রাম্যমান আদালত তাদেরকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ‘সি’ ইউনিটের ২য় শিফটের পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনের সামনে থেকে আটক হয় দুই শিক্ষার্থী। ফেরদৌস হাসান জয় নামের সেই শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েল সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। সে দিবাশীষ সরকার নামের এক ছাত্রের পরিবর্তে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এসেছিল। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল- ১০০৯৯। এছাড়্ওা মাইকেল মধুসূদন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির রহমান তন্ময় রহমানের পরীক্ষা দিতে এসেছিল। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল ১০০৪৫। পরে তাদেরকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে তাকে সকাল ১১ টার দিকে ভ্রাম্যম্ান আদালতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদলতের বিচারক কুষ্টিয়া ডিসি অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট সাইফুল ইসলাম কমল পাবলিক পরীক্ষাসমূহ অপরাধ আইন ১৯৮০ এর ৩ নং ধারা অনুযায়ী তাদেরকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়।

কাজী ফেরদৌস হাসান জয় নাটের জেলার জিউপাড়া উপজেলার ফিরোজ আহমদের ছেলে। এর আগেও সে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্সি দিয়েছে বলে জিঙ্গাসাবাদে স্বীকার করে। এছাড়াও সাব্বির রহমান যশোর জেলার বাঘার পাড়া উপজেলার বাবুর আলীর ছেলে।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান বলেন, ‘‘ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস নিরাপত্তার চাদরে ঘেরা ছিল। তারই ফলাফল হিসেবে পরীক্ষার শেষ দিনে জালিয়াতি চক্র ধরা পড়েছে।

স/মা