কলারোয়া থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথের উদ্যোগে ভারতে পাচার হওয়া শিশু বাচ্চা আপন উদ্ধার
ফিরোজ জোয়ার্দ্দার,সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি,
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ভারতে পাচার হওয়া শিশু আপন (৩) কে বিজিবি ভারত থেকে উদ্ধার করে থানা পুলিশে হস্তান্তর করেছে। পরে থানা পুলিশ শিশুটিকে তার পিতা-মাতার কাছে তুলে দেন। থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর ভাদিয়ালী গ্রামের দম্পতি আলমগীর হোসেন ও তার স্ত্রী নাসরিন সুলতানা থানার হাজির হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অঙ্গত ২/৩জনকে আসামি করে মা নাসরিন সুলতানা বাদি হয়ে থানায় মানব পাচার আইনে একটি মামলা নং (৩) ৪/১১/১৭ দায়ের করেন। এজাহারের বিবরণে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে মা নাসরিন সুলতানাকে পানির সহিত অচেতন করা ঔষধ সেবন করায়ে তাহার ৩ বছরের শিশু বাচ্চা মুস্তাকিম হাসান আপনকে পাচারকারীরা পাচার করে ভারতে নিয়ে চলে যায়। তৎক্ষনিক থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অব্যহত করলে তাদের নির্দেশ মোতাবেক ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭ধারা মোতাবেক মামলাটি রুজু করে পাচার হয়ে যাওয়া শিশু আপনকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ এর সহিত জরুরী পতাকা বৈঠক করে ভিকটিম শিশুকে উদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। সেই মোতাবেক ৬/১১/১৭ তারিখ সোমবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (৭৬ বিএন) বিথারী ক্যাম্পের বিএসএফ ভারতের হাকিমপুর বাসস্ট্যান্ড হতে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া শিশু আপনকে উদ্ধার করে। উদ্ধার পূর্বক বাংলাদেশ ভারতের সীমান্ত এলাকা উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের ভাদিয়ালী ১নং পোষ্ট নামক স্থানে দু-দেশের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৩৮/ই কোম্পানী মাদরা বিজিবি সদস্যদের হাতে শিশুকে হস্তান্তর করে বিএসএফ। রাতে শিশুটিকে মাদরা বিজিবি’র সদস্যরা থানা পুলিশের ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের কাছে হস্তান্তর করিলে ভিকটিম আপনকে ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ তার পিতা-মাতার কোলে তুলে দেন। এদিকে মামলাটি বর্তমানে সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে এজাহার নামীর আসামিদের আটকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স/মা

