ঢাকারবিবার , ২৯ অক্টোবর ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

নাটোর রেলওয়ে স্টেশন তুমি কার!

admin
অক্টোবর ২৯, ২০১৭ ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নাটোর রেলওয়ে স্টেশন তুমি কার!

তাপস কুমার, নাটোর:

দীর্ঘদিন পর নাটোর রেলওয়ে স্টেশনের আধুনিকায়ন কাজ চললেও স্টেশনের সামনে অটো চালকদের দৌরাতœ আর দখল হয়ে যাওয়া রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্টাফ কোয়াটার উদ্ধারে কোন পদক্ষেপ নাই। রেলস্টেশনের জমির অবৈধ দখল হওয়া নতুন কিছু নয়। প্রভাবশালীদের দখলে কখনও বাজার, কখনও অটোস্ট্যান্ড, কখনও মৌসুমী ফলের আড়ৎ হিসেবে রেলের জায়গা দখল হতে দেখলেও কর্তৃপক্ষের নীরব দর্শকের ভূমিকা ছাড়া অন্য কিছু প্রত্যক্ষ করেনি সাধারণ মানুষ। আর দখলের এই ধারাবাহিকতা থেকে বাদ পরেনি নাটোর রেলস্টেশনের স্টাফদের কোয়ার্টারও। দখল হয়ে যাওয়া নাটোর রেলের স্টাফ কোয়াটার এখন মাদক সেবীদের অভয়াশ্রম। অবৈধভাবে দখল হওয়া ওই সব স্টাফ কোয়াটারে এখন চলে রমরমা মাদক সেবন।সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নাটোর রেল স্টেশন প্লাট ফরমের দক্ষিণ-পূর্ব কোনে রেলের স্টেশন মাস্টার সহ কর্মকতাদের জন্য রেলের বাসভবন (কোয়াটার) ছিল। মোট ৬টি ইউনিটের ওই কোয়াটারে স্টেশন মাষ্টার ২জন, টিসি (টিকেট কালেক্টর) ২ জন, বুকিং ক্লার্ক ১জন ও একজন পোর্টার পরিবার পরিজন নিয়ে থাকতেন। একতলা বিশিষ্ট রেলওয়ের কোয়াটারে ৮০ এর দশক পর্যন্ত রেলের ওই নাটোর স্টেশনে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা বাস করতেন।

৯০ দশকের দিকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকে অবসরে যাওয়ার কারণে তারা ভবন ছেড়ে চলে যান। কেউ কেউ অন্য স্টেশনে বদলি হয়ে যাওয়াই তারাও কোয়ার্টার খালি করে পরিবার নিয়ে কর্মস্থলে যান।পরবর্তীতে রেলেওয়ের কোয়াটারগুলি ফাঁকা পড়ে থাকে। ওই ভবনে আর কেউ ওঠেননি। এই সুযোগে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকা ভবনগুলো স্থানীয় সুযোগ সন্ধানীরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখলে নেয়। তাদের কেউ কেউ সম্মুখ ভাগের ভবনগুলো দখলে নিয়ে ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে। ভবন ও প্রাচীর ভেঙ্গে তারা রাতারাতি নিজেদের মত করে স্থাপনা নির্মান করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলেন। ইতিমধ্যে অরক্ষিতভাবে পড়ে থাকা ভবনগুলোর দরজা জানালা সহ ভবনের মূল্যবান সামগ্রী রাতারাতি চুরি হতে থাকে। ফলে ধীরে ধীরে তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। রেল বিভাগ ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করলে বর্তমানে ভবনগুলিতে দখল নিয়েছে নেশা খোরসহ অপরাধ চক্র। এছাড়া সিএনজি চালিত থ্রি-হুইলার অটোরিক্সার গ্যারেজ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ওই পরিত্যক্ত ভবন এলাকায় এখন দিনভর মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। প্রকাশ্যে এই ভবন চত্বরে মাদকসেবীদের আনাগোনা দেখা গেলেও প্রতিকারের কোন উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের।

স/মা