ঢাকামঙ্গলবার , ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় জলদস্যুদের উপদ্রব ব্যাপক হারে বৃদ্ধি জেলেরা চরম নিরাপত্তাহীনতায়

admin
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৭ ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

♦ এ.কে.আজাদ (লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি):

লক্ষ্মীপুর মেঘনা নদীতে জলদস্যুদের উপদ্রব ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলেরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এ ব্যাপারে নদীতে থাকা সাধারণ জেলেরা জানায়,বর্তমান মহাজোট সরকার জেলেদের সাবলম্বি করার লক্ষে নানান সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার পরও জীবিকা নির্বাহের তাগিদে প্রতিনিয়ত মৎস্য আহরন করতে যেতে হয় মেঘনা নদীতে।মেঘনার ভয়াবহ কড়াল গ্রাসে অধিকাংশ জেলেদের বাড়ী-ঘর নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।মাথা গোজার ঠাইটুকুও নেই তাদের।তারা প্রতিনিয়ত মৎস্য আহরনে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছে শুধুই জীবণ বাঁচাতে।আর এই সব জেলেদের জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা মুক্তিপন আদায় করে চলেছে কথিত জলদস্যুরা।নিত্য নৈমিত্তিক ঘটে চলেছে জেলেদের উপর ঐসব জলদস্যুর নির্মম নির্যাতন ও নিপিড়নের ঘটনা।ভাবতে অবাক লাগে,ইতোমধ্যে বনদস্যু ও জলদস্যুদের উদ্দেশ্যে সরকার কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন।এখনো সময় আছে তারা স্বাভাবিক জীবণে ফিরে আসার। ফিরে আসলে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন।সুন্দরবনের অনেক বনদস্যু প্রশাসনের নিকট আতœসমর্পন করেছে একটি স্বাভাবিক জীবণ ফিরে পাবার আশায়।অপরদিকে দস্যু দমনে মেঘনায় যেসব আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী রয়েছে তাদের তৎপরতার পাশাপাশি অপতৎপরতার ও অভিযোগ উঠেছে।স্বাধারণ জেলেরা জানতে চায়,নদীতে টহলরত প্রশাসন থাকার পরও কিভাবে একের পর এক তাদের ধরে নিয়ে অ¯্ররে মুখে জিম্মি করে এবং মুক্তিপন দাবি করে। এ ব্যাপারে কথা হয় কমলনগর উপজেলা বাত্তির খাল ঘাটের নাজিম উদ্দিন মাঝির সঙ্গে। সে জানায়, গত ২৮শে ডিসেম্ভর মাছঘাট এলাকা থেকে তাকে অস্ত্র ঠেকিয়ে ধরে নিয়ে যায় দস্যুরা। চোখ/হাত বেধে অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে তার পরিবারকে ফোন দিয়ে ১,০০০০০(এক লক্ষ) টাকা মুক্তিপন দাবি করে। এক রাত একদিন আটকিয়ে রাখার পর নগদ ৫০,০০০(পঁঞ্চাশ হাজার) টাকা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনা হয়। এ ছাড়াও দস্যুদের কবলে পড়ে ঐ ঘাটের ফারুক মাঝি ও গনি মাঝি। তারা জানায়, যে ক’জন মাঝি জলদস্যুদের শিকার হয়েছে তাদের প্রত্যেকের কাছেই মেঘনা জাকির এই নাম পরিচয় দিয়ে মুক্তিপন দাবি করেন। মুক্তিপনের টাকা জোগাতে না পারলে দস্যুদের হাতে জীবন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে অনেক। জানা গেছে, এ সব দস্যুদের আস্থানা সম্ভবত ভোলা চরগজারিয়া,মৌলভী চর ও সুন্দর বনের নির্জন স্থান। অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে, রামগতি-কমলনগর উপজেলার বড়বাত্তির খাল,আলেকজান্ডার খাল,বাংলাবাজার,হেতনার খাল,জারির দোন,মতির হাট,বিশ্ববেড়ী,কডরিয়া খাল ও লুধূয়া খালের তথ্য। প্রতিটি ঘাট এলাকা নিয়ন্ত্রনকারী কথিত ব্যাক্তিবর্গের সঙ্গে দস্যুবাহিনীর ব্যাপক আতাতের অভিযোগ উঠেছে। ঐ সব ব্যাক্তিবর্গের যোগসাজেসে ঘটে চলেছে দস্যুকর্তৃক জেলেদের কাছ থেকে মুক্তিপন আদায়। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, মেঘনা নদীতে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলশ ভাবে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি গনসচেতনতা প্রতিরোধ গড়ে তুললে দস্যুবাহিনীর হাত থেকে সাধারন জেলেরা রক্ষা পাবে। দস্যুদের সঙ্গে যেসব কতিপয় ব্যাক্তিবর্গের যোগসাজেস রয়েছে, অনুসন্ধান করে তাদের নাম সহ প্রতিবেদন আগামিতে প্রকাশ হবে।

স/শা