পাখি গ্রাম সমসখলসী
ঝড়-বৃষ্টি আর অসাধু মানুষদের দৌরাতেœ
পাখির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
তাপস কুমার, নাটোর:
দুইদিনের টানা অবিরাম বর্ষণ ও ঝড়ে নাটোরের নলডাঙ্গার সমসখলসী পাখি গ্রামে পাখির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ওই পাখি গ্রামে এখন পর্যন্ত ৭২টি পানকৌড়ি ও ২৫টি শামুকখোলের বাচ্চা মারা গেছে। আহত হয়েছে অসংখ্য পাখি।
বর্তমানে পাখি কলোনিটির দেখাশুনা করেন জিয়াউল আলম। তিনি জানান, সমসখলসী গ্রামে পানকৌড়ি, শামুকখোলসহ নানা প্রজাতির অন্তত ১০ হাজার পাখি বাঁশঝাড় ও গাছগাছালিতে আশ্রয় নেয়। গত দুই দিনের বৃষ্টি ও ঝড়ে অনেক পাখি মাটিতে পড়ে যায়। কিছু পাখির ডানা ভেঙে গেছে, বাচ্চাগুলো আধামরা হয়ে মাটিতে পড়ে রয়েছে। এরই মধ্যে কিছু অসাধু মানুষ আহত পাখি ধরে নিয়ে যায়। কেউ জবাই করে। পরে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস এবং বনবিভাগের কর্মকর্তারা তিন শতাধিক পাখি উদ্ধার করেন। পাখিগুলো একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে রাখা হয়েছে। এগুলোকে সুস্থ করে রোদ উঠলে আবার ছেড়ে দেয়া হবে।
উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, খবর পাওয়ার পর লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। নাটোর সদর বন বিভাগের নার্সারি অ্যাটেনডেন্ট আলীমুদ্দিন সরদার জানান, ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক পাখি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অনেক পাখির বাচ্চা মারা গেছে। আহত পাখিগুলোকে সুরক্ষা দিতে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন বলেন, পাখি কলোনিকে রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনওসহ অন্যদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
স/মা

