মানুষ মানুষকে নির্মম ভাবে মারছে আর প্রশাসন তা দেখছে। সব ধান্ধাবাজ মানুষ নিয়ে ব্যবসা করছে ,
বৌদ্ধ ধর্মের কে যেন বলেছিল “জীব হত্যা মহা পাপ”
মানুষ কি জীব না মি: মায়ানমার??
– By:Aazrul Exam
হে আল্লাহ এরাতো তোমার প্রতি ঈমান এনেছে, এরা তোমার এবাদত করে, আর যারা তোমাকে বিশ্বাস করেনা – অস্বিকার করে, তাদের হাতে আহত-নিহত ও নির্যাতিত হচ্ছে, তুমি আর সহ্য করোনা হে আল্লাহ, তুমি বার্মিজ বুদ্ধিষ্ট এই পশুদের সমূলে ধ্বংস করে দাও অতিসত্তর, আর তুমি অপেক্ষা করোনা হে আল্লাহ । এই বর্বরদের দুনিয়ার বুক থেকে বিলীন করে দাও হে আল্লাহ / বলিষ্ঠ কূটনৈতিক বিপ্লব-ই পারে
বর্বর মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা গণহত্যা থেকে বিরত রাখতে ।
By –Zafor Pathan, Self-employed at Poet/Writer/Journalist
#Mayanmar
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু মুসলমান।
সন্ত্রাস সব ধর্মেই বিদ্যমান। শুধু ‘নারায়েতকবির’ বলে স্লোগান ধরলেই জংগী হয়ে যায়?
আপনি নাস্তিক (যে কোন ধর্মেই আস্থা রাখেন না) হন কোন আপত্তি নেই। কিন্তু আপনি শুধু একটি ধর্মের বিরুদ্ধবাদ করবেন, তা কি ঠিক?
মুসলমানরা আবেগী। তাই তাদের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি মানবিকতা বোধ কাজ করে। এটি কোরআন ও হাদিসের প্রভাব।
মজার বিষয় হলো, যারা মানবাধিকার নিয়ে নিজেদের ও অন্যদের প্রতিনিয়ত চাপে রাখেন, তারাও দেখি একে একটি ব্যবসায়ী পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই দেখছেন।
কোথায় এখন- #United_nations #SARC #OIC #Human_Rights#Red_Crescent #UNDP #USA #Rasia #Canada #Saudi #Cofee_Anan#CNN #BBC #Times #Media #IMRAN_H #Sultana_kamal #Sahriar_Kabir#Hefajote_Islam #Hindu_Bouddha_Cristian_Oikko_Porishod?
নোবেল পুরস্কার পাওয়ার চেয়ে মানুষ হওয়া জরুরী। আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিষ্কার করে কি উপকার করেছন তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। কিন্তু, তিনি এই পুরস্কার পদ্ধতি চালু করে বেশিরভাগ খারাপ মানুষকে আন্তর্জাতিক অমানবতার সুযোগ করে দিয়েছেন।
অনেকেই বলেন, কেন রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এত অনড় কেন? মুক্তিযুদ্ধের সময়তো ভারত আমাদের আশ্রয় দিয়েছিল।
কিন্ত চিন্তা করে দেখুন, যেখানে একটি উদীয়মান দেশে এতগুলো মানুষ জীবিকা নির্বাহ করতেই কষ্ট হয়, সেখানে মায়ানমারের এতগুলো মানুষের ভার কিভাবে এদেশ বহন করবে? এদের মাধ্যমে অনেক অপরাধ সংঘটিত হওয়া কি অসম্ভব? যেখানে ইয়াবার অন্যতম চালান ওদেশ থেকেই আসে। এক্ষেত্রে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।
আর ভারতের সে দায়তো আমরা এ বন্যাতেও শোধ করতে পারিনি। আমরা মরে, তাদের বাঁচাচ্ছি। আরো কতদিন চলবে, তাও জানি না।
এর আগেরবার যখন মায়ানমারে এরকম ঘটনা হয়েছে, আমরা কি মানবিকতার উদাহরণ দেইনি? সারাদেশের আপামর জনতা কি সাহায্যার্থে এগিয়ে যায় নি? এভাবে কি তাদের উপর নিপিড়ন কমেছে?
প্রয়োজন প্রতিবাদ। প্রয়োজনে মালেশিয়ার মত হুংকার। প্রয়োজন ওই নোবেল বিজয়ীর নোবেল নিয়ে প্রশ্ন তোলা। প্রয়োজন আপনার মাধ্যমে ওই মানবাধিকার চেতনাবোধের নামে কোন নির্দিষ্ট ধর্মবিরোধীদের চোখের অপারেশন করা।
By: Farhad Learner
মুসলমানদের ধর্মিয় উৎসব ঈদুল আযহা শুধু অনুষ্ঠান বা রীতি প্রথা নয় আল্লাহর নির্দেশ এবং ইবাদাত। শুধু তাকে সন্তুষ্ট করার জন্যই আমরা যার যার অবস্থান থেকে পশু কুরবাণী করি। তাই আজ বিশ্ব মানবতার তকমাদারীদের নীরব সমর্থনে দানবীয় বর্বর তান্ডরবের এই কারবালার প্রান্তরে আমারই ভাই, মা, বোন আমারই সামনে রক্তাক্ত খন্ডবিখন্ড! এ লাশগুলোর সামনে দাঁড়িয়েই ঈদ পালন করতে হচ্ছে।
ছোট ছোট ফুলের মতো নিস্পাপ অবুঝ শিশুগুলো যারা এখনো পৃথিবীর সাথে পরিচয় করেনি। পৃথিবীকে বোঝেনি। দর্শনের পূর্বেই যেন ফুলের সাথে দৈত্যের সম্মুখ যুদ্ধের এক ভয়ংকর দামামা বেজে উঠেছে।
তাদেরকে মাঝ সমুদ্রে রেখে কিকরে আমরা ঈদ উৎসব করি। উহ! কতোনা কষ্টদায়ক এমন দৃশ্যরূপ!
হে মহাশক্তিধর! একই ছাদের নিছে তোমার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে কেউ নিজের জীবন কুরবাণি করছে আর কেউবা তোমারই হুকুমে পশু কুরবাণি করছে।
তুমি এই জালিমদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করো নয়তো আমাদের আরো কঠিন ধৈর্য দান করো।
ওদের জন্য দোয়া করছি কিন্তু নিজেদের অসহায়ত্ব কে মানতে পারছি না। ক্ষমা করতে পারি না এই বিবেক নামের নিস্ক্রিয় পুতুল সত্বাকে।
একদিকে লাশের পাহাড় অন্যদিকে পানিবন্ধি মানুষের আহাজারী!!
?
?
কি হবে এতো লিখে যদি না ওদেরকে সহযোগীতা করতে না পারি! কি হবে এসব অযাচিত লেখার এতো অয়োজন? শুধু নিজকে সান্তনা দেয়া সময়ের সাক্ষী হবে এ লেখা এইতো…!!
By- সাবিহা তাবাসসুম জয়নব
মর্গের শহরের বাইরে হেটে দেখো,
সারি সারি লাশ চলছে, ওখানে আছি আমিও।
By- Alvi Al Sabit
( clocet from fecbook )
স/মা

