শাহ আলম,গোয়াইনঘাট থেকে : আমি মাদকের সাথে জড়িত নয়, নয় কোন অপরাধীও। সমাজ বা রাষ্ট্রবিরোধী কোন কর্মকান্ডে আমার সম্পৃক্ততা নেই। তবুও আমাকে মাদক ব্যবসায়ী এবং অপরাধের সাথে জড়িত সন্দেহে অপবাদ দেয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মাদক সহ বেআইনী মালামাল দিয়ে আমাকে ফাসিয়ে দিতে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী, সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে ভাড়া করে অন্যান্য স্থান থেকে ভুয়া সাংবাদিক এনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, মনগড়া এবং ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় সিলেটের গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন উপজেলার ৫নং আলীরগাঁও ইউনিয়নের লাফনাউট কুটাপাড়া গ্রামের আলহাজ্ব মোঃ তৈমুর রেজার ছেলে মোঃ ফয়ছল রেজা। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন যে, সাম্প্রতি সময়ে লাফনাউট বাজারে পুলিশ কর্তৃক মাদক দ্রব্য উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও পরবর্তী পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় তাকে জড়াতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। ২৩ আগস্ট স্থানীয় পাঁচ মৌজার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতিতে বৈঠকের আয়োজকরা ৪ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি দেখিয়ে ১০ লক্ষ টাকা জামানত দিয়ে আমাকে বিচারে সমবেত হওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং ঐদিনই আমার বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট ২৪.কম, কুইকসার্স ২৪.কম, সিলেটের স্থানীয় একটি দৈনিক সহ অনলাইন গণমাধ্যমে লাফনাউটে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমাকে ঘটনার মূল হুতা বানিয়ে মনগড়া, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদটি প্রকাশে আমার কোন মতামত নেয়া হয়নি। এমনকি উপস্থিত দেখানোর মুরব্বি মুহিবুর রহমান, প্রফেসার আতাউর রহমান, আতাউর রহমান মেম্বার, আলীরগাঁও ইউ/পি আওয়ামীলীগ সভাপতি ওলি উল্যাহ মাষ্টার সহ মুরব্বিয়ানদের কথা বললে তারা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। তাছাড়া গণমাধ্যমে, বৈঠকে আমাদের যে উপস্থিতি দেখানো হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে অবহিত করেন। ষড়যন্ত্রকারী মহল দ্বারা আমি প্রশাসনিক, সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারি মর্মে বিষয়টি আমি গোয়াইনঘাট থানা অফিসার ইনচার্জকেও অবহিত করি। আমার বিরুদ্ধে আনিত ভিত্তিহীন অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
স/এষ্

