ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুরে ওসির সহায়তায় ইউপি সদস্য নাজমা আক্তার মুন্নী ও তার পিতা নিজেদের দায়েরকৃত ১৪৪ ধারা নিজেরাই লংঘন করে উল্টো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা নাটকিয় মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মহিলা ইউপি সদস্যের সাথে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জুলফিকার আলী ও তার পরিবারের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের সুযোগে ওসি মুনির কৌশল অবলম্ভন করে তার প্রতিপক্ষ দুই জনকে প্রধান আসামী করার শর্তে নারী ও নিশু নির্যাতন দমন আইনে মিথ্যা মামলা এজাহার রেকর্ড করলে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে রাজাপুর টিএন্ডটি সড়কের বাসিন্ধা স্বামীহারা গৃহবধূ তাসলিমা বেগম অভিযোগ করেছে, ওসি মুনির উল গিয়াসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঝালকাঠি আদালতে নির্যাতনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করায় তার দুই পুত্র কলেজ ছাত্র আদনানও সাংবাদিক মুরাদকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতিহিংসা মূলক ভাবে এ মামলায় আসামী করা হয়েছে।
এদিকে ভুক্তভুগী পরিবারটি অভিযোগ করে বলেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশি হয়রানী করে তাদের ভোগ দখলিয় জমি জবর দখল করার চেষ্টা চালায় ইউপি সদস্য মুন্নি। উক্ত জমিতে ১৪৪ ধারা জারী করা থাকা সত্তেও পুলিশের সহয়তায় লঙ্গন করে আমার একটি ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেছে ইউপি সদস্য নাজমা আক্তার মুন্নী ও তার লোকজন । কিন্তু রাজাপুর সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেল মোজ্জাম্মেল হোসেন ও ওসি মুনিরুল গিয়াস ইউপি সদস্য মুন্নির পক্ষ নিয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা রেকার্ড করে তাদের এলাকা ছাড়া করে জমি দখল করার ষড়যন্ত্র করছে। বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা আ: খালেক ও তার ভাই জুলফিক্কারকে জড়িয়ে নারী ও নিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেয় পুলিশ।
এ ব্যাপারে সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রতিবেশীদের সাধে আলাপকালে তারা জানায়, ২১ আগষ্ট রাতে ইউপি সদস্য নাজমা আক্তার মুন্নী ও তার সহযোগীরা বিরোধীয় উক্ত জমিতে থাকা একটি ঘর ভেঙ্গে নেয়ার চেষ্টা করলে দুপক্ষের মধ্যে কথার কাটাকাটি ও হুমকি-ধুমকির ঘটনা ঘটতে দেখেছে। এছাড়া আমরা অন্য কোন ঘটনা ঘটতে দেখিনি।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য নাজমা আক্তার মুন্নী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আ: খালেক ও তার ভাই জুলফিক্কারের সাথে তার পিতার জমি নিয়ে বিরুধ চলছে। এতে তার পিতা ইনুচ ঢ়াড়ী আদালতে ১৪৪ ধারার মামলা করে । এবং ওই জমিতে আমারা কাজ করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। কিন্তু ধর্ষনেরচেষ্টা মামলা কেনো করলেন জানতে চাইলে ইউপি সদস্য নাজমা আক্তার মুন্নী বলেন পুলিশ ওই মামলা নিয়েছে আমিতো আমাদের সাথে বিরোধ ও রাতে হাতাহাতির ও স্বর্ন,টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার এবং চাদাদাবীর অভিযোগ করেছিলাম । তবে নিজেদের দায়ের করা ১৪৪ ধরার মামলার জমিতে কেনো কাজ করতে গেলেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, পুলিশের সাথে কথা বলে কাজ করতে গিয়েছি ।পুলিশই যেতে বলেছে। জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কেনো একের পর এক মামলা তার কোন উত্তর দিতে পারেনি তিনি।
অন্যদিকে রাজাপুর টিএন্ডটি সড়কের বাসিন্ধা স্বামীহারা গৃহবধূ তাসলিমা বেগম অভিযোগ, তার পুত্র কলেজ ছাত্র আদনানকে নির্যাতনের অভিযোগে ওসি মুনির উল গিয়াস সহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মালকাঠি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। যে মামলায় দাবী ও স্বাক্ষীদের জবœবন্দি গ্রহন শেষে আগামী ৩১ আগষ্ট আদেশের জন্য ধার্য রয়েছে। সেই মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আমার দুই পুত্র আদনান ও মুরাদকে ইউপি সদস্য মুন্নীর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার ওসি মুনির আসামী নাম ডুকিয়ে দিয়েছে।
এব্যাপারে রাজাপুর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেল মোজ্জাম্মেল হোসেন বলেন, জমি নিয়ে বিরোধকেকেন্দ্র করে দু পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। কিন্তু ধর্ষনের চেষ্টার বিষয় যে মামলা হয়েছে সেটা ওসি জানে আমি তদন্ত করে দেখবো কোন লোক অন্যায় ভাবে হয়রানী হবে না। রাজাপুর থানার ওসি মুনিউল গিয়াস বলেন, কিন্তু ধর্ষনের চেষ্টার বিষয় যে মামলা হয়েছে আমি ওই দিন থানায় ছিলাম না সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেল মোজ্জাম্মেল হোসেন স্যার মামলা নিতে বলছে তাই মামলা হয়েছে । তবে মামলার ১ও ২ নাং আসামীর সাথে ওসির বিরোধ থাকার কারনে তিনি এ মমালা রুজু করেছেন তা অস্বিকার করেন।
স/এষ্

