ঢাকামঙ্গলবার , ২২ আগস্ট ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কালীগঞ্জ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ !

admin
আগস্ট ২২, ২০১৭ ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি॥ ২১ আগস্ট’২০১৭

‘পুলিশ জনগনের বন্ধু’ বা ‘সেবাই পুলিশের ধর্ম’ বলে থানার দেয়ালে লেখা থাকলেও বাস্তবে এর কোন প্রতিফলন নেই। ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানা পুলিশের নাম শুনলেই সাধারন মানুষ আঁতকে উঠে। তাদের কর্মকা-ে আতংকিত হয়ে উঠছেন সাধারণ মানুষ।

এখানকার পুলিশরা মাদক অভিযানের নামে অনেক সাধারণ মানুষকে নানাভাবে ফাঁসিয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা যখন তখন যেকোন মানুষের পকেটে হাত ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। পরে বলে থাকেন তাদের কাছ থেকে ইয়াবা অথবা গাজার পুরিয়া উদ্ধার হয়েছে। এরপর তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ আদায় করে ছেড়ে দেয়া হয় অথবা ৩৪ বা ৫৪ ধারায় আদালতে চালান দেয় কালীগঞ্জ থানা পুলিশ। এখানকার পুলিশরা স্ববলের বন্ধু আর দুর্বলদের দুশমনে পরিনত হয়েছেন। কারন দুর্বলরা তাদের চাহিদামত উৎকোচ দিতে পারে না। যার কারনে অনেক অসহায় মানুষের এজাহারও অনেক সময় থানায় নেয়া হয় না।

সূত্র জানায়, কালীগঞ্জের অলিতে গলিতে দিনরাত মাদকের বিকিকিনি চলে। অথচ পুলিশ এসব মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার না করে সেবনকারীদের আটক করেন বলে অভিযোগ করেছেন কালীগঞ্জবাসী। যে বিষয়টি একাধিকবার কালীগঞ্জ উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় অনেকে উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেননি। গ্রেফতার করেন সেবনকারীদের। একই শহর থেকে অন্যান্য আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বড় বড় মাদকের চালান উদ্ধার করলেও কালীগঞ্জ থানা পুলিশ মাদকের বড় কোন চালান উদ্ধার করতে পারেন নি।

গোপন একটি সূত্র জানায়, থানায় বড় কোন অপরাধী আটক বা গ্রেফতার হলে বেশ কিছু তদবীরকারী সঙ্গে সঙ্গে থানায় যেয়ে হাজির হন। এসব তদবীরকারীর সাথে পুলিশের একটি গোপন আতাত রয়েছে। সেই গোপন আতাতে আটক হওয়া ওইসহ বড় বড় মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধীরা রক্ষা পেয়ে যায়। তাদের আটক বা গ্রেফতারের সুনির্দিষ্ট কোন তথ্যও পুলিশ সাংবাদিকদের দিতে চান না। পরে বলেন থাকেন তাদের ৫৪ বা ৩৪ ধারায় চালান দেয়া হয়েছে। অথবা রাজনৈতিক নেতাদের তদবীরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, দক্ষিনাঞ্চলের জালিয়াত চক্রের প্রধান হোতা হামিদুজ্জামান জলিলকে পুলিশ আটক করে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে আদালতে ৫৪ ধারায় চালান দিয়েছে। বিষয়টি লজ্জাজনক। তারা আরো জানান, যে ব্যক্তির বাড়িতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে হাইকোর্টের জাল সীলসহ বিভিন্ন দপ্তরের শতাধিক সীল ও ভুয়া কাগজপত্র উদ্ধার করে। যে ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেট ও জজদের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া ওয়ারেন্ট তৈরি করে সাধারন মানুষকে হয়রানী করে তাকে পুলিশ কিভাবে ৫৪ ধারায় চালান দিল? পুলিশ তো নিজেই বাদি হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারতো।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু বলেন, হয়রানী হওয়া ব্যক্তিরা তাদের কাছে অভিযোগ দিলে তারা তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বিষয়টির অবগতি করবেন।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান খান সাংবাদিকদের বলেন, জলিল হুজুর গ্রেফতার হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে কেউ কোন মামলা দেয়নি। এছাড়া র‌্যাবের দায়ের করা মামলায় সে জামিনে রয়েছেন। যার কারনে তাকে ৫৪ ধারায় পুলিশ আদালতে চালান দিয়েছে।

 স/মা