নারায়ণগঞ্জে চলন্ত ট্রাকে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় আদালতে চালক ও হেলপার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
রোববার ৬ আগস্ট দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া ও আফতাব উজ্জামানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় তারা।
এর আগে গত ৩ আগস্ট আদালত তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
আসামিরা হলো, মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার আলোকদী গ্রামের নুর নবীর ছেলে চালক মেহেদী হাসান (২২) এবং রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানার পশ্চিম কানাইপাড়া গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ছেলে হেলপার সোহান ওরফে তুহিন (২১)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক অঞ্চল) মো. শরফুদ্দিন বলেন, চলন্ত ট্রাকে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় চালক ও হেলপারকে চার দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে, তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
এর আগে কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সোহেল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই প্রতিবন্ধী গৃহবধূ গত মঙ্গলবার (১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় চলে আসে। পরে রাত ৮টায় মালবাহী একটি ট্রাকের (ঢাকা-মেট্রো ট-০২-০৩৪৪) চালক মেহেদী হাসান ও হেলপার তুহিন তাকে রাস্তায় একা পেয়ে ঢাকায় নেয়ার কথা বলে জোর করে ট্রাকে তুলে নেয়।
পরে ট্রাকটি নারায়ণগঞ্জ আসার পথে চালক ও হেলপার পালাক্রমে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। বুধবার (২ আগস্ট) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল পানিরকল এলাকায় এসিআই ফার্মাসিউটিক্যালের প্রধান ফটকের সামনে থামানো ট্রাকটির ভেতর থেকে ওই গৃহবধূর কান্নার শব্দ শুনে এলাকাবাসী ছুটে আসে।
এ সময় চালক ও হেলপার ট্রাক রেখেই কৌশলে পালিয়ে যায়। বুধবার (২ আগস্ট) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী সোনামিয়া মার্কেটের সামনে এবং ঢাকা জেলার সাভার থানার ফুলবাড়ীয়া বাওয়ালীপাড়া এলাকাস্থ মুন্তাজ ভান্ডারীর বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ওই গৃহবধূ এ ঘটনায় ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।
স/এষ্

