খাইরুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ফ্রেন্ডস ফর লাইফের ঢাকার সদস্যদের নিয়ে জমকালো এক আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বিকেল চারটায় রমনা পার্কের কোনায় কোনায় পুর্ন হয় ঢাকার সদস্য ও মডারেটরদের ব্যাপক উপস্থিতি। উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এডমিন প্রিয় নোমানি, মো. মিজান সিকদার। বরিশাল থেকে আগত মারুফ হোসেন, জুয়েল, শাহরিয়ার মাহফুজ শ্রাবন, মাহাবুবসহ ঢাকাস্থ অনন্য সদস্যরা।
এসময় অসাধারন আয়োজনে যোগদেন বিখ্যাত অভিনেতা এইচ এম হায়দার আলী সহ নতুন সদস্য নুসরাত মনিসহ উপস্থিত সদস্যদের সাথে পরিচিয় পর্ব হয়। এরপর গ্রুপের সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে আড্ডায় অংশহিসেবে পরামর্শ ও গ্রুপের উন্নয়ন বিষয়ে মতামত নিয়ে আলোচনা হয়। আলচনাসভায় প্রতিষ্ঠাতা এডমিন বলেন, সুপ্ত-লৃপ্ত-ঘুমন্ত সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে অংকুরিত হোক হাজারো হৃদয়। ফ্রেন্ডস ফর লাইফ হৃদয়ে শিহরণ জাগানিয়া একটি নাম। অজস্র যুবকের রাত জাগা স্বপ্নের ফসল। বুকের ভিতর পুঞ্জিভূত হাজারো আশা আকাঙ্খার বাস্তব প্রতিফলন। এ যেন এক প্রজ্জ্বলিত আলোক মশাল। যা অগণিত কোমল হৃদয়কে করবে আলোকিত, হাজারো সুপ্ত প্রতিভাকে করেবে বিকশিত। হাটি হাটি পা পা করে ফ্রেন্ডস ফর লইফ পাড় করলো প্রথম বছর। ফ্রেন্ডস ফর লাইফের পরিবারের কোমলমতি হাজারো বন্দুদের হেরার দ্যুতিতে উদ্ভাসিত নির্ভিক মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে যার পদযাত্রা। এসময় গ্রুপের সন্মানিত মডারেটর আরিফুর রহমান ইমরান ফকির পরিশ্রম ও সময়ে দিয়ে প্রোগ্রাম জমকালো করার বিশেষ ভুমিকা রখায় আন্তরিকভাবে ভাবে ধন্যবাদ জানায়। এবং এই প্রোগ্রামের অন্যতম আয়োজক প্রিয় মোতালেব হোসেন অসুস্থতার জন্য ফ্রেন্ডস ফর লাইফের পক্ষ থেকে দোয়া ও তার মঙ্গল কামনা করা হয়।
ফ্রেন্ডস ফর লাইফে রয়েছে এক বছরের বর্ণাঢ্য ও সমৃদ্ধ অতীত। অজস্র সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠাতা এডমিন-সদস্যদের পুষ্পকলির সুপ্ত-লৃপ্ত-ঘুমন্ত সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে ফ্রেন্ডস ফর লাইফে বীজ বুনে যাচ্ছে গত এক বছর থেকে। যা আজ প্রস্ফুটিত হয়ে ডালপালা মেলে মহীরুহে পরিণত হয়েছে। যার শীতল ছায়ায় আশ্রয় নিবে অপসংস্কৃতির সয়লাবে ভেসে যাওয়া হাজারো তরুণ যুবক। ফ্রেন্ডস ফর লাইফের সংস্পর্শে এসে খুঁজে পাবে সঠিক পথের দিশা। বিকশিত হবে তাদের সুন্দর সপ্নগুলো ফ্রেন্ডস ফর লাইফে‘র ছোঁয়ায়। তাইতো ফ্রেন্ডস ফর লাইফে’র গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এডমিন কাব্যিক সুরে বলতে চেয়েছে,
ফ্রেন্ডস ফর লাইফ লিখবে মানুষ পড়বে
তুমি বলবে অজস্র মেধাবীরা তা শুনবে।
চলন্ত পথিক থমকে দাড়াবে
তোমার কথায় ভাবতে বাধ্য হবে।
এভাবে অংকুরিত করবে হাজারো হৃদয়
শুভ্রতার স্পর্শে লালিত স্বপ্ন আলোড়ন সৃষ্টি করবে বিশ্বময়।
২০১৬ সালের জুলাই রবিবারের এক পড়ন্ত বিকেলে একদল তরুণ যুবকের প্রচেষ্টায় বরিশাল থেকে শুরু হয় ফ্রেন্ডস ফর লাইফের ঐতিহাসিক প্রথম পথ পরিক্রমা। গ্রুপের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রকৃতি, পরিবেশ, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি তথা বাংলাদেশ কে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা। পাশা-পাশি শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রসার ও পরিচ্ছন্ন বিনোদনের জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরী করা। বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের প্রত্যাশিত ও সৃষ্টিকর্তার রঙে রঙিন মানুষ গড়াই ফ্রেন্ডস ফর লাইফের মুখ্য উদ্দেশ্য। পেয়েছে অভাবনীয় জনপ্রিয়তা। যেখানে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কিশোর যুবক নৈতিক অবক্ষয়ের তীব্র স্রোতে ভেসে যাচ্ছে সেখানে এই স্রোতের বিপরীতে নৈতিকতার স্রোত সৃষ্টি করে ফ্রেন্ডস ফর লাইফ পালন করবে কান্ডারির ভূমিকা। তাইতো ফ্রেন্ডস ফর লাইফের এক একজন সদস্য সমাজের সবচেয়ে মেধাবী ও নৈতিকতাসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে নিজ নিজ অঙ্গণে লাভ করেছে ভালবাসা ও স্নেহের দূর্বিনীত পরশ। হৃদয়ের নরম মাটিতে রোপণ করেছি তোমার ভালোবাসার বীজ। আত্মার উষ্ণতা দিয়ে লালন করেছি সেই ভালোবাসার ফ্রেন্ডস ফর লাইফ ধীরে ধীরে যা রূপান্তরিত হয়েছে এক সবুজ বৃক্ষে।
শ্রদ্ধেয় সদস্যদের তাই বলতে শুনি:
ভালোবাসার পুষ্পবৃক্ষ হতে ফুল নিয়ে মালা গেঁথে আমি প্রতীক্ষায় ছিলাম তুমি আসবে বলে,
তোমাকে বরণ করবো বলে।
একদিন তুমি এলে,
আমি আনন্দে আপ্লুত হলাম।
আমার ভালোবাসা তুমি গ্রহণ করলে,
আমি কৃতার্থ হলাম।
তোমার সৌরভে আমি সুরভিত হলাম।
আমার ভাবে ও অনুভবে এখন শুধু তুমি।
আমার স্বপনে ও জাগরণে এখন শুধু তুমি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত
হে বন্ধু!
হে প্রিয়!
আমি তোমার সঙ্গবদ্ধ হলাম।
স/এষ্

