মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের নারী ও শিশু আদালতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৮ দিনের ছেলে শিশুকে কোলে নিয়ে ধর্ষণ মামলা করেছে এক ধর্ষিতা। সে স্থাণীয় একটি বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী। ধর্ষিতা ৪ জনকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করলে মুন্সীগঞ্জ নারী ও শিশু বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক খন্দকার হাসান মোহাম্মদ ফিরোজ মামলাটি আমলে নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানাকে এফআইআর হিসাবে গ্রহন করার জন্য আদেশ দিয়েছে বলে জানান, ওই কোর্টের পেশকার শহিদুল ইসলাম।
জানাগেছে, সদর উপজেলার নৈরপুকুর পাড় গ্রামের আঃ হাই সেখের ছেলে জহিরুল ইসলাম গত ১ বছর যাবৎ তার প্রতিবেশী ওই ধর্ষিতাকে উত্যাক্ত করে এবং কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। এতে ধর্ষিতা রাজি না হওয়ায় গত ৪ জুলাই ২০১৭ ইং তারিখ দুপুরে ধর্ষিতার পিতা বাড়ি না থাকায় তাদের বসত ঘরে গিয়ে ধর্ষিতাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। এর পরে ধর্ষক জহিরুল তার বড় ভাইয়ের বৌ নাসরিন সুলতানার সহয়তায় আরো একাধিকবার ধর্ষিতাকে ধর্ষন করে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখায়। পরে গত ১০ জানুয়ারী ২০১৮ইং তারিখে ধর্ষিতা ধর্ষক জহিরুলকে সে গর্ভবর্তী হয়ে পরেছে জানালে ধর্ষক জহিরুল তাকে স্ত্রী করে ঘরে তুলে নিবে বলে ধর্ষিতা ও তার পরিবারকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়মিত মেলামেশা করে আসছিলো।
ধর্ষিতা গত ১৬ই এপ্রিল একটি পুত্র সন্তান মেরাজ ইসলাম ১৮ (দিন) জন্ম দিলে ধর্ষিতার অভিবাবকরা ধর্ষিতাকে জহিরুলের ঘরে তুলিয়া নিতে বলে। কিন্তু জহিরুল ধর্ষিতা ও তার সন্তানকে ঘরে তুলিয়া না নিয়া নবজাতককে জহিরুলসহ আসামীরা হত্যার চেষ্টা করে চলেছে। পরে ধর্ষিতা বাধ্য হয়ে মুন্সীগঞ্জ আদালতে এ ধর্ষন মামলা দায়ের করে।
স/এষ্

